‘চোকার্স’ তকমা কাটল না সাউথ আফ্রিকার। টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপ ২০২৪ আসরে ফাইনাল থেকে খালি হাতে ফিরতে হয়েছিল প্রোটিয়াদের। এবার তাদের দৌড় থামল সেমিফাইনালে। তৃতীয় বার সংক্ষিপ্ত সংস্করণের সেমিফাইনাল থেকে বিদায় নিতে হল তাদের। কলকাতায় ফিন অ্যালেনের সেঞ্চুরিতে প্রোটিয়াদের হারিয়ে দ্বিতীয়বারের ফাইনালের টিকিট কেটেছে নিউজিল্যান্ড। প্রথম শিরোপা জয়ের লক্ষ্য এখন কিউইদের।
কলকাতার ইডেন গার্ডেন্সে টসে হেরে আগে ব্যাটে নামে সাউথ আফ্রিকা। নির্ধারিত ওভার শেষে ৮ উইকেটে ১৬৯ রান করে প্রোটিয়া দলটি। জবাবে নেমে ১২.৫ ওভারে ৯ উইকেট হাতে রেখে জয় নিশ্চিত করে নিউজিল্যান্ড।
রানতাড়ায় নেমে কিউইদের ঝড়ো শুরু এনে দেন ফিন অ্যালেন ও টিম সেইফার্ট। উদ্বোধনী জুটিতে দুজনে ১১৭ রান তোলেন। ৭ চার ও ২ ছক্কায় ৩৩ বলে ৫৮ রান করেন সেইফার্ট। পরে রাচিন রবিন্দ্রকে সঙ্গী করে জয় নিশ্চিত করেন অ্যালেন। ১০ চার ও ৮ ছক্কায় ৩৩ বলে ১০০ রানে অপরাজিত থাকেন কিউই ওপেনার।
৩৩ বলে সেঞ্চুরিকে নতুন ইতিহাস গড়েছেন অ্যালেন। টি-টুয়েন্টিতে টেস্ট খেলুড়ে দুটি দেশের মধ্যে লড়াইয়ে সবচেয়ে দ্রুত সেঞ্চুরির মালিক এখন তিনি। আগের রেকর্ডটি ছিল ডেভিড মিলারের। বাংলাদেশের বিপক্ষে ৩৫ বলে সেঞ্চুরি করেছিলেন তিনি। আর টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপে দ্রুততম সেঞ্চুরির রেকর্ড এটি। এর আগে ২০১৬ আসরে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ৪৭ বলে সেঞ্চুরি করেন ওয়েস্ট ইন্ডিজ কিংবদন্তি সাবেক ক্রিস গেইল।
প্রোটিয়াদের হয়ে কাগিসো রাবাদা ১টি করে উইকেট নেন।
এর আগে ব্যাটে নেমে প্রোটিয়াদের শুরুটা ভালো হয়নি। ১২ রানে দুই উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে দলটি। কুইন্টন ডি কক ৮ বলে ১০ রান করে এবং রায়ান রিকেলটন খালি হাতে ফেরেন। তৃতীয় উইকেটে ডেওয়াল্ড ব্রেভিস ও এইডেন মার্করাম মিলে যোগ করেন ৪৩ রান। দলীয় ৫৫ রানে মার্করাম আউট হন। ২০ বলে ১৮ রান করেন।
৭৭ রানে আরও দুই উইকেট হারায় দলটি। ডেভিড মিলার ৬ রানে এবং ডেওয়াল্ড ব্রেভিস ২৭ বলে ৩৪ রান করে আউট হন।
ষষ্ঠ উইকেটে ত্রিস্তান স্টাবস এবং মার্কো জানসেন ৭৩ রান যোগ করেন। তাতে লড়াইয়ের পুঁজি পায় প্রোটিয়ারা। ১৫০ রানে স্টাবস ফিরলে জুটি ভাঙে। স্টাবস ২৪ বলে ২৯ রান। এরপর আরও দুই উইকেট হারায় দলটি। জানসেন ২ চার ও ৫ ছক্কায় ৩০ বলে ৫৫ রান করেন।
কিউই বোলারদের মধ্যে কোল ম্যাককনি, ম্যাট হেনরি ও রাচিন রবীন্দ্র দুটি করে উইকেট নেন। জেমস নিশাম নেন ১ উইকেট।








