দীর্ঘ ১২ বছর ধরে আইসিসির কোনো বৈশ্বিক আসরে শিরোপা স্বাদ পায়নি ভারত। সবশেষ ২০১১ সালে ঘরের মাঠে ওয়ানডে বিশ্বকাপ জয়ের আনন্দে মেতেছিল ম্যান ইন ব্লু। ট্রফি খরা কাটানোর মিশনে দুরন্ত গতিতেই ছুটছে রোহিত শর্মার দল। চলতি ওয়ানডে বিশ্বকাপে লিগপর্বে ৯ ম্যাচের সবকটিতে জিতে টিম ইন্ডিয়া অপরাজিত চ্যাম্পিয়ন হওয়ার অপেক্ষায় রয়েছে।
মুম্বাইয়ের ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে বুধবার আসরের প্রথম সেমিফাইনালে ভারতের মুখোমুখি নিউজিল্যান্ড। ম্যাচের আগের দিন মঙ্গলবার সংবাদ সম্মেলনে হাজির হন রোহিত। ১৪০ কোটিরও বেশি জনসংখ্যার দেশে চাপ সামলে খেলার কঠিন বাস্তবতা তুলে ধরেন স্বাগতিক দলের অধিনায়ক।
‘লিগ ম্যাচ হোক, সেমিফাইনাল কিংবা ফাইনাল, যখনই আপনি বিশ্বকাপের ম্যাচ খেলবেন তাতে চাপ থাকবেই। এটা খুব স্বাভাবিক ব্যাপার।’
‘ভারতের মাটিতে খেলা হলে যেকোনো ফরম্যাটের টুর্নামেন্ট হলে ভারতের ক্রিকেটারদের চাপ থাকবেই। সব জায়গা থেকে একই আওয়াজ আসতে থাকে যে কাল ম্যাচ জিততে হবে, সেঞ্চুরি করতে হবে, পাঁচ উইকেট নিতে হবে। কেউ ২০০-২৫০ ম্যাচ খেলুক কিংবা ৫-১০টি ম্যাচ, তাদের এমন পরিস্থিতির ভেতর দিয়ে যেতেই হয়। ভারতীয় ক্রিকেটারদের জন্য চাপ নেয়াটা বাধ্যতামূলক হয়ে যায়।’
‘আমরা অনেক বছর ধরেই চাপকে একপাশে সরিয়ে রাখতে চেষ্টা করেছি। আমাদের খেলার যে কৌশল, তাতে বেশি মনযোগী হওয়া জরুরি। মাঠের বাইরে যা হচ্ছে তা হতেই থাকবে, থামানো যাবে না। ম্যাচে মনোযোগ দেয়াই জরুরি। প্রতিপক্ষের দিক থেকে যেসব চ্যালেঞ্জ আসতে চলেছে, সেগুলোতে দৃষ্টিপাত করাই আমাদের কাজ।’
চাপ সামলাতে ক্রিকেটাররা মাঝেমধ্যে ব্যতিক্রমধর্মী পরিবেশে বিনোদনমূলক কর্মকাণ্ডে লিপ্ত হন বলেও জানান রোহিত। ধর্মশালায় ম্যাচের আগে ছয়দিনের বিরতির সময়টা সবাই উপভোগ করেছেন। নিজেরা মিলে করেছিলেন ফ্যাশন শো। দলের সবাইকে চাঙ্গা রাখতেই ছিল এমন আয়োজন।









