জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্মরত ১১তম থেকে ২০তম গ্রেডের স্থায়ী কর্মচারীদের সন্তানদের জন্য ২০২৫-২৬ অর্থবছরে ‘পোষ্য শিক্ষাবৃত্তি’ চালুর উদ্যোগ নিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। বুধবার (৬ মে) বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থ ও হিসাব দপ্তর থেকে প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ষষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণি, উচ্চমাধ্যমিক, স্নাতক (পাস ও সম্মান), স্নাতকোত্তর ছাড়াও মেডিকেল, ইঞ্জিনিয়ারিং ও কৃষিসহ সরকার অনুমোদিত বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অধ্যয়নরত কর্মচারীদের সন্তানরা এ বৃত্তির জন্য আবেদন করতে পারবে। আবেদন জমা দেওয়ার শেষ সময় নির্ধারণ করা হয়েছে আগামী ২১ মে।
বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বীর মুক্তিযোদ্ধা কর্মচারীদের সন্তান এবং প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের বৃত্তি প্রদানে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। একই যোগ্যতার ক্ষেত্রে চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারীদের সন্তানরাও বিশেষ বিবেচনা পাবে। এছাড়া, স্বামী-স্ত্রী উভয়েই বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়মিত কর্মচারী হলে যেকোনো একজন এ সুবিধার জন্য আবেদন করতে পারবেন।
একজন কর্মচারী চাকরিকালে সর্বোচ্চ দুই সন্তানের ধারাবাহিক শিক্ষাজীবনের জন্য এ বৃত্তির আবেদন করার সুযোগ পাবেন। শিক্ষার্থী নির্বাচনের ক্ষেত্রে আগের বছরের বার্ষিক পরীক্ষার ফলাফল বিবেচনায় নেওয়া হবে বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।
আবেদনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রত্যয়নপত্র, বেতন ও ভর্তি ফি জমাদানের রশিদ, আগের পরীক্ষার ফলাফলের সত্যায়িত কপি জমা দিতে হবে। পাশাপাশি শিক্ষার্থীর জন্মনিবন্ধন বা জাতীয় পরিচয়পত্র এবং পিতা-মাতার এনআইডির সত্যায়িত অনুলিপিও সংযুক্ত করতে হবে।
আগ্রহী কর্মচারীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থ ও হিসাব দপ্তরের কল্যাণ শাখা (কক্ষ নম্বর-২০২) থেকে আবেদন ফরম সংগ্রহ করতে পারবেন। বিভাগীয় প্রধানের সুপারিশসহ যথাযথভাবে পূরণ করা আবেদনপত্র আগামী ২১ মের মধ্যে জমা দিতে হবে। নির্ধারিত সময়ের পর কোনো আবেদন গ্রহণ করা হবে না বলেও বিজ্ঞপ্তিতে সতর্ক করা হয়েছে।








