ম্যানচেস্টার সিটিতে একদশকেরও বেশি কাটিয়েছেন কেভিন ডি ব্রুইন। ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগ ক্লাবটিতে শেষটা অবশ্য ভালো হয়নি বেলজিয়ান তারকার। ক্লাবের পক্ষ থেকে পাননি নতুন চুক্তির প্রস্তাব। একরকম বাধ্য হয়েই ছাড়তে হয়েছে সিটিজেন ডেরা। নতুন ঠিকানা নাপোলিতে নিতে চান নতুন চ্যালেঞ্জ।
ম্যানসিটিতে এসে অল্প সময়েই ভরসা হয়ে ওঠেন ডি ব্রুইন। কোচ পেপ গার্দিওলার আক্রমণাত্মক কৌশলের কেন্দ্রবিন্দু ছিলেন। গত একদশকে ক্লাবটির প্রথম চ্যাম্পিয়ন্স লিগ শিরোপা ও টানা চারটিসহ মোট ছয়টি প্রিমিয়ার লিগ জয় এবং আরও অনেক সাফল্যের কারিগরদের একজন তিনি।
গত মৌসুমে চোট নিয়ে বেশ ভুগতে হয় ডি ব্রুইনকে। পারফরম্যান্সেও পড়ে প্রভাব। গার্দিওলা তার উপর আস্থা রাখতে পারলেও শেষপর্যন্ত ক্লাবের পক্ষ থেকে চুক্তির মেয়াদ বাড়ানোর কোন প্রস্তাব পাননি ৩৪ বর্ষী তারকা। গত জুনে ফ্রি ট্রান্সফারে নাপোলিতে যোগ দেন।
বাধ্য হয়ে ক্লাব ছাড়লেও এখনও সিটির প্রতি রয়েছে গভীর ভালোবাসা। এক সাক্ষাৎকারে বলেছেন, ‘প্রিমিয়ার লিগে অনেক লম্বা সময় ছিলাম এবং শেষপর্যন্ত ইংল্যান্ড ছাড়ার সিদ্ধান্ত নেই। যে সিদ্ধান্ত নিয়েছি, নিয়েছি এবং শেষপর্যন্ত আমি সারা জীবনের জন্য ম্যানসিটির খেলোয়াড়। তাছাড়া সেখানে যেভাবে আমার শেষ হল, সেকারণেই ভেবেছি এখন সময় নতুন চ্যালেঞ্জ খুঁজে নেয়ার।’
‘নাপোলিতে যোগ দেয়ার আগে যখন ক্লাবটির পুরো পরিকল্পনা আমাকে বোঝানো হল, তখন অনুভব করতে পারলাম যে, ইতালিতে খেলতে পারি এবং এখনও শীর্ষ পর্যায়ে পারফর্ম করতে পারি, আর এটাই আমাকে রোমাঞ্চিত করল।’
নাপোলিতে এসে তিনি পেয়েছেন জাতীয় দলের আরেক সতীর্থ রোমেলু লুকাকুকে। এ প্রসঙ্গে বলেছেন, ‘এখানে আসাতে রোমেলুও অনেকখুশি হয়েছে, জাতীয় দলে থাকার সময় তার সঙ্গে কথা বলেছিলাম, সে আমাকে যোগ দিতে বলেছিল। ১৩ বছর বয়স থেকে রোমেলুকে চিনি, তাই আমাদের সম্পর্ক বেশ দৃঢ়। আমরা যখন চেলসিতে খেলতাম, তখন আমরা দুই-তিন মাস একসঙ্গে ছিলাম।’







