নকআউট শুরু হতে না হতেই সমীকরণ মেলানোও শুরু হয়ে গেছে। কোন দল কতদূর পৌঁছাবে, কোন পর্বে দেখা হবে কার বিপক্ষে, এসব হিসাব কষা চলছে। আর্জেন্টিনা ও ব্রাজিলের দেখা হচ্ছে কী? পর্তুগাল কোন পথে? ইতিমধ্যে নকআউটে একই ব্রাকেটে পড়েছে ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনা। তাতে, ৩৬ বছর পর বিশ্বমঞ্চে দেখা হওয়ার সম্ভাবনা জেগেছে দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বীর।
সবশেষ ১৯৯০ ইতালি বিশ্বকাপে শেষ ষোলোতে দেখা হয়েছিল ব্রাজিল-আর্জেন্টিনার। ম্যাচের ৮১তম মিনিটে ক্লদিও কানিগিয়ার গোলে ১-০তে জিতেছিল আলবিসেলেস্তে দল। পুনরাবৃত্তি হতে পারে এবারও, তবে কোন পর্বে সেটা দেখার বিষয় এবং কীভাবে ঘটতে পারে। সোজা কথায় কী হইলে কী হইতে পারে। দুদল জয়ের ধারা অব্যাহত রাখতে পারলে দেখা হতে পারে সেমিফাইনালে। পথটা যদিও হিসাব কষার মতো সহজ গন্তব্য নয়।
আর্জেন্টিনার প্রথম বাধা শেষ বত্রিশে নবাগত কেপ ভার্দে। যারা প্রথমবার বিশ্বকাপ খেলতে এসে করেছে বাজিমাত। তাদের জালে বল জড়াতে বেশ কাঠখড় পোড়াতে হচ্ছে প্রতিপক্ষকে। লিওনেল মেসি-লৌতারো মার্টিনেজদের এই বাধা পেরোলে শেষ ষোলোতে দেখা হবে মিশর কিংবা অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে। সেখান থেকে পার হয়ে গেলে, কোয়ার্টারে দেখা হবে সুইজারল্যান্ড-আলজেরিয়া এবং কলম্বিয়া-ঘানার মধ্যকার জয়ীদের সাথে। আর্জেন্টিনা এই পর্ব জিততে পারলে সেমিতে দেখা হবে সেলেসাওদের বিপক্ষে।
তবে ব্রাজিলের পথ বেশ কঠিনই। তাদের প্রথম পরীক্ষা এশিয়ার শক্তিশালী জাপানের বিপক্ষে। এই ম্যাচ ব্রাজিল পার করতে পারলে, শেষ ষোলোতে পাবে আইভরি কোস্ট-নরওয়ের মধ্যকার জয়ীকে। সেখান থেকে এগোলে, কোয়ার্টারে দেখা হবে মেক্সিকো-ইকুয়েডর এবং ইংল্যান্ড-কঙ্গোর মধ্যকার জয়ীদের মধ্যে। সেই পর্ব পেরোলেই সেমিতে পোঁছাবে ব্রাজিল।
সেমির সেই ম্যাচটি ১৪ জুলাই বাংলাদেশ সময় রাত ১টায় গড়াবে। যদি ব্রাজিল বা আর্জেন্টিনা সে পর্যন্ত পৌঁছায়, তাহলে দুদলের একটির সাথে ফাইনালে দেখা হতে পারে ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর পর্তুগালের। যা তখনই ঘটবে, পর্তুগিজরা যদি নিজেদের ব্রাকেট থেকে জিতে ফাইনালে আসতে পারে। সেক্ষেত্রে ব্রাজিল-আর্জেন্টিনার ‘হয়ত হতে পারে সেমি’র জয়ী দলটিকে পর্তুগাল পাবে শিরোপামঞ্চে।







