চোট থেকে ফিরে নিজেকে এখনও পুরোপুরি মেলে ধরতে পারননি শরিফুল ইসলাম। চলতি বিপিএলেও খুব একটা সুবিধা করতে পারছেন না। চিটাগং কিংসের হয়ে ৩ ম্যাচ খেলে ২টি সাফল্য পেয়েছেন কেবল টাইগার পেসার। তাতে ছিটকে গেছেন আসন্ন চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির দল থেকে।
আগামী ফেব্রুয়ারিতে হাইব্রিড মডেলে গড়াবে আইসিসি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি। ১৯ ফেব্রুয়ারি শুরু হওয়া আসরের পরেরদিন সংযুক্ত আরব আমিরাতে ভারতের বিপক্ষে খেলবে বাংলাদেশ। পরে পাকিস্তান সফর করে সেখানে স্বাগতিক দল ও নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে খেলবে টিম টাইগার্স। দল দেয়ার জন্য ১২ জানুয়ারি শেষদিন নির্ধারণ করে দিয়েছিল আইসিসি। শেষ দিনেই দল দিয়েছে বাংলাদেশ।
রোববার শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে সংবাদ সম্মেলন করে দল দেয় বিসিবি। দলে চার পেসারকে নিয়েছে নির্বাচক প্যানেল। মোস্তাফিজুর রহমান, নাহিদ রানা, তাসকিন আহমেদ ও তানজিম সাকিব আছেন ১৫ সদস্যের দলে। জায়গা হয়নি শরিফুলের। বিসিবির প্রধান নির্বাচক গাজী আশরাফ লিপু জানিয়েছেন শরিফুলকে বাদ দেয়ার কারণ। চোট থেকে পুরোপুরি বের হতে না পারায় বাদ দেয়া হয়েছে তাকে।
‘কানাডায় যে লিগ খেলতে গিয়েছিলেন সেখান থেকে চোট নিয়ে এসেছিলেন। তাকে বিশ্রাম দিয়েছি, ট্রিটমেন্ট দিয়েছি, মেডিকেল কমিটির পরামর্শ মতো বোলিং করেছেন। এরপর দলেও ফিরেছেন। আমাদের পর্যবেক্ষণে তাকে ঠিক সাবলীল মনে হয়নি। পুরোপুরি বের হয়ে আসতে পারেননি। তাকে আরেকটু সময় দিয়ে, আমাদের অপেক্ষা করতে হবে।’
চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির দলে নাহিদ রানার থাকাটা অনুমেয় ছিল। দারুণ গতিতে বল করা পেসারের প্রথম আইসিসি ইভেন্ট হতে চলেছে এটি। সবশেষ কয়েকটি সিরিজ এবং বিপিএলে নিয়মিত খেলছেন। তার ওয়ার্কলোডের বিষয়ে প্রশ্ন আসাটাও স্বাভাবিক ছিল। গাজী আশরাফ জানালেন টিম ম্যানেজমেন্টের ভালোভাবেই মনোযোগ আছে বিষয়টি নিয়ে।
‘এটা একটা বড় কনসার্নের জায়গা দেখেছি। কোচিং প্যানেল, ফিজিওর, বোলারদের ওয়ার্কলোড নিয়ে তারা যথেষ্ট কাজ করেন। নাহিদ রানার দিকে তাদের বিশেষ নজর আছে। এই টুর্নামেন্ট চলাকালে বা আগেও অন্যান্য বোলারদের পাশাপাশি উল্লেখযোগ্যভাবে নাহিদের বোলিং ম্যানেজমেন্ট নিয়ে যথেষ্ট আলোচনা হয়েছে। নজরদারিতে আছেন। চট্টগ্রামে খেলার আগে ভালো বিরতি হয়েছে। সে অত্যন্ত বড় সম্পদ। কোনোভাবেই চাই না চোটপ্রবণ হন। এ ব্যাপারে ফ্র্যাঞ্চাইজির সাথে নিয়মিত যোগাযোগ হচ্ছে।’







