কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলার বুড়বুড়িয়া এলাকায় গোমতী নদীর ভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন ২ লাখের বেশি মানুষ। এখন পর্যন্ত অন্তত ৫০ হাজার মানুষ পানিবন্দী রয়েছেন।
শনিবার (২৪ আগস্ট) সকাল পর্যন্ত বন্যা পরিস্থিতির সর্বশেষ তথ্যে এমনটিই জানা গেছে। গোমতীর ভাঙনে উপজেলার বাকশিমূল, রাজাপুর ইউনিয়নের আরও ১০টি গ্রামে পানি প্রবেশ করেছে। এই নিয়ে এ পর্যন্ত অন্তত ৪০টি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে।
খোলা আকাশের নিচে রাত কাটিয়েছেন বানভাসি মানুষরা। বন্যাকবলিত এলাকায় পর্যাপ্ত খাবার ও বিশুদ্ধ পানির অভাব দেখা দিয়েছে। পানি না কমা পর্যন্ত পর্যাপ্ত খাবার ও বিশুদ্ধ পানির ব্যবস্থা করার দাবি জানিয়েছে বন্যাকবলিতরা।
বাকশিমূল ইউনিয়নের বাকশিমূল গ্রামে সড়কের ওপরে হাঁটু পর্যন্ত পানি। আবার কোথাও কোমরসমান পানি। তীব্র স্রোতের কারণে গ্রামের ভেতরে ঢুকতে পারছেন না উদ্ধারকারী ব্যক্তিরা। বুড়বুড়িয়া এলাকায় ভাঙা অংশ দিয়ে এখনো তীব্র স্রোতে পানি ঢুকছে। সেখানে বাঁধে আশ্রয় নিয়েছেন অনেক মানুষ। এদিকে রাজাপুর এলাকায় পানি বাড়ছে।
তবে আজ পানি কমতে পারে বলে জানিয়েছে কুমিল্লা পানি উন্নয়ন বোর্ডের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী আবদুল লতিফ। তিনি বলেন, এখনও গোমতী নদীর পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
কুমিল্লার জেলা প্রশাসক খন্দকার মু মুশফিকুর রহমান বলেন, নৌকায় করে প্রত্যন্ত এলাকায় বানের পানিতে আটকে পড়া মানুষদের খুঁজে বের করে উদ্ধার করা হচ্ছে।








