চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

শুক্রবার থেকে ‘সর্বোচ্চ’ সংখ্যক হলে ‘মিশন এক্সট্রিম’

৫০টি প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাচ্ছে ‘মিশন এক্সট্রিম’

করোনার বিধিনিষেধের পর দেশে ‘সর্বোচ্চ’ ৪৪টি প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেয়েছিলো আমদানি করা ছবি ‘বাজি’

করোনাকালীন বিপর্যয় উতরে আবারও চাঙ্গা হচ্ছে সিনেমা হল। দর্শক মুখিয়ে আছে বছরের সবচেয়ে প্রতীক্ষিত সিনেমা ‘মিশন এক্সট্রিম’ দেখার। শুক্রবার (৩ ডিসেম্বর) থেকে দেশ ও বিদেশে মহাসমারোহে মুক্তি পেতে যাচ্ছে আলোচিত পুলিশ অ্যাকশন থ্রিলার সিনেমাটি।

‘মিশন এক্সট্রিম’ মুক্তির একদিন আগে ছবির পরিচালক ফয়সাল আহমেদ চ্যানেল আই অনলাইনকে জানান, শুক্রবার দেশের ৫০টি প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেতে যাচ্ছে ‘মিশন এক্সট্রিম’। ছবিটি নিয়ে সারা দেশের হল মালিকরা বেশ আগ্রহী। আরো অনেক প্রেক্ষাগৃহে সিনেমাটি প্রথম সপ্তাহে চেয়েছিলেন, কিন্তু আমরা ৫০টি প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি নিশ্চিত করেছি। দ্বিতীয় সপ্তাহ থেকে পর্যায়ক্রমে বাকি হলগুলোতেও ‘মিশন এক্সট্রিম’ চলবে।

ছবিটি নিয়ে হল মালিকদের এমন আগ্রহ দেখে উচ্ছ্বসিত এই নির্মাতা। জানালেন, আমরা সবাই মিলে নিজেদের সর্বোচ্চটা দিয়ে ‘মিশন এক্সট্রিম’ নির্মাণ করেছি। প্রচার প্রচারণাতেও কমতি রাখিনি। বাকিটা দর্শকদের উপর।

বিজ্ঞাপন

একযোগে দেশ ও দেশের বাইরে ‘মিশন এক্সট্রিম’র প্রথম পর্ব মুক্তি পেতে যাচ্ছে শুক্রবার। এরই মধ্যে প্রকাশ পেয়েছে সিনেমাটির কাঙ্ক্ষিত ট্রেলার। ধুন্ধুমার অ্যাকশন ও রহস্যঘেরা আবহে শ্বাসরুদ্ধকর ট্রেলারটি দর্শকদের প্রশংসা কুড়াচ্ছে।

পুলিশ অ্যাকশন থ্রিলারটি সানী সানোয়ারের সঙ্গে যৌথভাবে পরিচালনা করেছেন ফয়সাল আহমদ। এর কেন্দ্রীয় চরিত্রে রয়েছেন ‘মাসলম্যান’খ্যাত অভিনেতা আরেফিন শুভ। এছাড়াও অভিনয় করেছেন ‘ঢাকা অ্যাটাক’খ্যাত তাসকিন রহমান, মিস ওয়ার্ল্ড বাংলাদেশের জান্নাতুল ফেরদৌস ঐশী, সাদিয়া নাবিলা ও সুমিত সেনগুপ্ত।

কপ ক্রিয়েশনের ব্যানারে নির্মিত সিনেমাটির অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে রয়েছেন- রাইসুল ইসলাম আসাদ, ফজলুর রহমান বাবু, শতাব্দী ওয়াদুদ, মাজনুন মিজান, ইরেশ যাকের, মনোজ প্রামাণিক, আরেফ সৈয়দ, সুদীপ বিশ্বাস দীপ, রাশেদ মামুন অপু, এহসানুল রহমান, দীপু ইমামসহ অনেকে।

কুল নিবেদিত ‘মিশন এক্সট্রিম’ সিনেমাটি পুলিশের কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিট তথা ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের ‘সিটিটিসি’র কিছু শ্বাসরুদ্ধকর অভিযান থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে নির্মিত। গল্প ও চিত্রনাট্য লিখেছেন পুলিশ সুপার সানী সানোয়ার নিজেই। সিনেমাটির সহযোগী প্রযোজক হিসেবে রয়েছে মাইম মাল্টিমিডিয়া ও ঢাকা ডিটেকটিভ ক্লাব।

বিজ্ঞাপন