বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ভিসানীতি থেকে বাঁচতে ফল ও খাবার খাওয়ানো নাটক সাজিয়েছে সরকার।
শনিবার সন্ধ্যায় রাজধানীর গুলশানে বিএনপির চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এসব কথা বলেন।
এ সময় তিনি সোমবার (৩১ জুলাই) সারাদেশে বিএনপির জনসমাবেশের কর্মসূচির ঘোষণা দেন।
সমাবেশ ঘোষণা প্রসঙ্গে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, আওয়ামী লীগ আগামীকাল কর্মসূচি ঘোষণা দিয়েছে। তাদের মতো একইদিনে কর্মসূচি ঘোষণা দিয়ে সংঘাত চায় না আমরা। যার কারণে পরদিন কর্মসূচি ঘোষণা দিয়েছি।
মির্জা ফখরুল বলেন, বিনা উসকানিতে বিএনপি নেতাকমীদের ওপর নির্বিচানে গুলি চালানো হয়েছে। বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, আমানউল্লাহ আমানসহ বহু নেতাকর্মীকে আটক করা হয়েছে। এ ঘটনার তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি।
তিনি আরও বলেন, বাসে আগুন দেওয়ার ঘটনায় বিএনপিকে দায়ী করা হচ্ছে। কিন্তু কারা এ কাজ করছে তা সবাই জানে। সংবাদ মাধ্যমের কল্যাণে জানতে পেরেছি, তিন যুবক মোটসাইকেলে এসে বাসে আগুন দিয়ে চলে যান। পুলিশও আশপাশে ছিল।
মির্জা ফখরুল আরও বলেন, আমান উল্লাহ আমানকে ফল ও বাবু গয়েশ্বরকে দুপুরে খাওয়ানোর ঘটনায় সরকার নিজেদের রক্ষার জন্য করেছে। এটা এক ধরনের নাটক। এসবকে বিএনপি গুরুত্ব দিচ্ছে না। ভিসানীতি থেকে বাঁচার জন্য বিএনপি নেতাদের ফল ও খাবার খাওয়ানো আর আটকের নাটক সাজিয়েছে সরকার।
আন্দোলনে শত-শত নেতাকর্মী গুমের শিকার হয়েছে উল্লেখ করে মির্জা ফখরুল বলেন, আন্দোলনে নির্যাতিত হয়েছে কয়েক হাজার নেতাকর্মী, মিথ্যা মামলায় হয়রানির শিকার হয়েছে লাখো নেতাকর্মী, গণতন্ত্র চাই বলে এতো কিছুর পরেও গণতান্ত্রিক আন্দোলনে পথে আছি। কিন্তু সব কিছুর একটা সীমা থাকে। আশা করি, সরকার সেটা মনে রাখবে।
বিএনপি সহিংস রাজনীতি চায় না বলে দাবি করেছেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। কর্মসূচি থেকে আটক নেতাকর্মীদের মুক্তিও দাবি করেন তিনি।
এসময় উপস্থিত ছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, যুগ্ম মহাসচিব হাবিব উন নবী খান সোহেল, মিডিয়া সেলের আহ্বায়ক জহির উদ্দিন স্বপন, সদস্যসচিব শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি।








