বার্সেলোনায় থাকতেই ক্লাব ফুটবলের সম্ভাব্য সব শিরোপা জিতেছিলেন লিওনেল মেসি। পরে শুধু শিরোপা জয়ের সংখ্যা বাড়িয়ে চলেছেন। আর্জেন্টিনা হয়ে কোপা আমেরিকা ও বিশ্বকাপ, পিএসজির হয়েও কিছু ট্রফি জয়ের স্বাদ পেয়েছেন। ইউরোপ ছেড়ে যুক্তরাষ্ট্রে গিয়েও থামছেন না। নামের পাশে যোগ করলেন লিগস কাপ শিরোপা। তাতে ১৯ বছরের ক্যারিয়ারে সবমিলিয়ে ৪৪টি ট্রফি জেতা হল ৩৬ বর্ষী কিংবদন্তির। ট্রফির রেকর্ডে ছাড়িয়ে গেছেন সবাইকে।
লিগস কাপের ফাইনালে ন্যাশভিলের মাঠ জিওডিস পার্ক স্টেডিয়ামে রোববার সকালে মুখোমুখি হয়েছিল মিয়ামি। ম্যাচে ১-১ সমতায় থেকে পূর্ণ সময়ের খেলা শেষ হলে গড়ায় টাইব্রেকে। সেখানে দুদল মিলে নেয় ২২ শট। শেষপর্যন্ত ১০-৯ ব্যবধানে জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে টাটা মার্টিনোর মিয়ামি। মেসির হাত ধরে প্রথমবারের মতো কোনো শিরোপা জিতল ২০১৮ সালে প্রতিষ্ঠিত দলটি।
চ্যাম্পিয়ন হওয়ার মধ্য দিয়ে নিজের ট্রফি ক্যাবিনেটটা আরেকটু সমৃদ্ধ করেছেন মেসি। ফুটবল ইতিহাসে এককভাবে শিরোপা জয়ে সবার উপরে এখন তিনি। সর্বোচ্চ শিরোপা জয়ের রেকর্ডে ছাড়িয়ে গেছেন বার্সাকালীন সাবেক সতীর্থ দানি আলভেজকে। এটি মেসির পেশাদার ফুটবল ক্যারিয়ারের ৪৪তম শিরোপা। ব্রাজিলিয়ান আলভেজ জিতেছেন ৪৩টি।
এসব শিরোপার মধ্যে বার্সার হয়ে মেসি জিতেছেন ৩৫টি। কাতালান ক্লাবটিতে ১০ বার লা লিগা চ্যাম্পিয়ন, কোপা ডেল রে ৭ বার, সুপার কোপা ৮ বার, উয়েফা সুপার কাপ ৩ বার ও ফিফা ক্লাব বিশ্বকাপ ৩ বার করে জিতেছেন আর্জেন্টাইন মহাতারকা। ইউরোপ সেরার লড়াইয়ে চ্যাম্পিয়ন্স লিগ জেতা হয়েছে ৪ বার।
পিএসজিতে যোগ দিয়ে চ্যাম্পিয়ন্স লিগ জিততে না পারলেও মেসিকে সঙ্গে নিয়ে দলটি লিগ ওয়ান চ্যাম্পিয়ন হয়েছে দুবার। ফরাসি ক্লাবটি একবার ট্রফি দে চ্যাম্পিয়ন্স জিতেছে পিএসজিতে মেসির দুবছরের যাত্রার মধ্যেই।
ইউরোপ ছেড়ে মিয়ামিতে গিয়ে লিগস কাপ জিতে ক্যারিয়ারের নতুন অধ্যায় শুরু করলেন মেসি। আর্জেন্টিনার হয়ে বিশ্বকাপের সঙ্গে একবার করে জিতেছেন কোপা আমেরিকা, লা ফিনালিস্সিমা। আলবিসেলেস্তে জার্সিতে অলিম্পিক স্বর্ণ ও যুব বিশ্বকাপও জিতেছিলেন মেসি।








