রাজধানীর বনানীতে লায়ন্স ইন্টারন্যাশনাল ডিস্ট্রিক্ট বাংলাদেশের ৬ষ্ঠ বার্ষিক কনভেনশন-২০২৬ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সোমবার (১ জুন) বনানীর শেরাটন হোটেলের বলরুমে আয়োজিত দিনব্যাপী এ অনুষ্ঠানে দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে আগত লায়ন্স নেতৃবৃন্দ, সদস্য ও আমন্ত্রিত অতিথিরা অংশ নেন।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ও সংসদ সদস্য ইয়াসের খান চৌধুরী। তিনি বক্তব্যে বৈশ্বিক সেবামূলক সংগঠন লায়ন্স ক্লাবস ইন্টারন্যাশনাল-এর মানবকল্যাণ, শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও সামাজিক উন্নয়নে অবদানের প্রশংসা করেন।

ইয়াসের খান চৌধুরী বলেন, লায়ন্স ইন্টারন্যাশনালের সেবামূলক কার্যক্রম সমাজের নিম্নবিত্ত মানুষের কল্যাণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। সরকার মানবকল্যাণমূলক এ ধরনের সংগঠনের পাশে থাকবে বলেও আশ্বাস দেন তিনি।
প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, লায়ন্স পরিবারের একজন সদস্য হিসেবে তিনি সংগঠনটির মানবসেবামূলক কার্যক্রমকে সরকারের উন্নয়ন দর্শনের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ বলে মনে করেন। একইসঙ্গে সেবার মানোন্নয়ন, আধুনিকীকরণ এবং কার্যক্রম আরও বিস্তৃত করার আহ্বান জানান তিনি।
জেলা গভর্নর মোহাম্মদ বেলাল হোসাইনের সভাপতিত্বে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন লায়ন্স ইন্টারন্যাশনালের সাবেক আন্তর্জাতিক পরিচালক মোসলেম আলী খান। গেস্ট অব অনার হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জিএটি এরিয়া লিডার কাজী সাইফুল ইসলাম, বাংলাদেশ লায়ন্স ফাউন্ডেশন-এর চেয়ারম্যান এ.কে.এম. রেজাউল হক, মাল্টিপল ডিস্ট্রিক্ট ৩১৫ বাংলাদেশের কাউন্সিল চেয়ারপারসন আশরাফ হোসেন খান, সাবেক কাউন্সিল চেয়ারপারসন শেখ কামরুল ইসলামসহ লায়ন্স বাংলাদেশের শীর্ষ নেতারা।
এছাড়া ২০২৬–২০২৭ মেয়াদের জন্য ভোটের মাধ্যমে নতুন নেতৃত্ব নির্বাচন করা হয়। এতে জেলা গভর্নর নির্বাচিত হন এম এ আউয়াল খান, প্রথম ভাইস জেলা গভর্নর নির্বাচিত হন ইশতিয়াক হোসাইন দিদার এবং দ্বিতীয় ভাইস জেলা গভর্নর নির্বাচিত হন শায়খ মাহফুজুর রহমান।
আগামী কনভেনশনের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পান ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল অ্যাডভোকেট সুলতান মাহমুদ বান্না। পাশাপাশি কেবিনেট সেক্রেটারি হিসেবে অ্যাডভোকেট রিয়াজুল হক বাশির এবং ট্রেজারার হিসেবে সাইফুল ইসলাম নির্বাচিত হন।
কনভেনশনে গত বছরের সেবামূলক কার্যক্রম পর্যালোচনা, ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা ও সংগঠনের অর্জন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। এছাড়া সমাজসেবা, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, পরিবেশ সংরক্ষণ ও মানবিক সহায়তায় অবদানের জন্য বিভিন্ন ব্যক্তি ও লায়ন্স ক্লাবকে সম্মাননা প্রদান করা হয়।








