ভালো নেই দেশীয় চলচ্চিত্রের এক সময়ের পর্দা কাঁপানো কিংবদন্তী অভিনেতা জাভেদ। বুধবার অভিনেতার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে রাজধানীর উত্তরাতে অবস্থিত একটি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।
এদিন সন্ধ্যায় চ্যানেল আই অনলাইনকে অভিনেতা জাভেদের সহধর্মিনী ডলি চৌধুরী বলেন, জাভেদ অনেকদিন ধরেই অসুস্থ। আজকে শরীর একটু বেশী খারাপ করায় চিকিৎসকের পরামর্শে হাসপাতালে নিয়ে গিয়েছিলাম।
২০১৯ সালে জাভেদের প্রস্রাবে জটিলতা দেখা দেয়। পরে অস্ত্রোপচার হয়। এরপর থেকেই ইন্টারন্যাল নানান জটিলতায় ভুগছেন বলেও জানান ডলি চৌধুরী।
তিনি বলেন, বুধবার জাভেদের শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে হাসপাতালে নিয়ে গিয়েছিলাম। তবে চিকিৎসকরা কয়েকটি পরীক্ষা দিয়েছেন। আগামি তিন-চার দিনের মধ্যে রিপোর্টগুলো হাতে পেলে বোঝা যাবে, নতুন করে তার কী কী সমস্যা।
ডলি জানান, হাসপাতালে পরীক্ষানিরীক্ষা শেষে অভিনেতা জাভেদকে আবার বাসায় নিয়ে আসা হয়েছে।
ষাটের দশকে নৃত্যশিল্পী হিসেবে ক্যারিয়ার শুরু করলেও পরবর্তীতে অভিনয় শিল্পী হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠা করেন জাভেদ। ১৯৭০ থেকে ১৯৮৯ পর্যন্ত নায়কদের মধ্যে জাভেদ ছিলেন অসম্ভব জনপ্রিয়। বলা হয়, তার কোনো ছবিই ফ্লপ করেনি। নিজে নাচতেন ও নায়িকাদের নাচিয়ে পর্দা কাঁপিয়ে তুলতেন।
মালকা বানু, অনেক দিন আগে, শাহাজাদা, রাজকুমারী চন্দ্রবান, সুলতানা ডাকু, আজো ভুলিনি, কাজল রেখা, সাহেব বিবি গোলাম, নিশান, বিজয়িনী সোনাভান, রূপের রাণী, চোরের রাজা, জালিম, চন্দন দ্বীপের রাজকন্যা, বাহারাম বাদশা, আলাদিন আলী বাবা এবং সিন্দাবাদ-এর মতো ছবি উল্লেখযোগ্য।
ব্যক্তি জীবনে তিনি ১৯৮৪ সালের চিত্রনায়িকা ডলি চৌধুরীকে বিয়ে করেন। ‘চন্দন দ্বীপের রাজকন্যা’ ছবিতে অভিনয় করতে গিয়ে তারা একে অপরের প্রেমে পড়েন। এই প্রেম একসময় বিয়েতে পরিণত হয়।








