সেঞ্চুরির একদম কাছেই চলে গিয়েছিলেন বিরাট কোহলি। তিন অঙ্কের দেখা পেলেই কিংবদন্তি ক্রিকেটার শচীন টেন্ডুলকারের পাশে নাম লেখাতেন পারতেন। কিউই বধ মিশনে সেঞ্চুরি থেকে মাত্র পাঁচ রান দূরে থাকতে ম্যাট হেনরি বল উড়িয়ে মারতে গিয়ে লং অনে গ্লেন ফিলিপসের হাতে ধরা পড়েন। তাই একদিনের ক্রিকেটে শচীনের সর্বোচ্চ ৪৯ সেঞ্চুরি ছোঁয়ার অপেক্ষা কোহলির বেড়েছে। তাতে অবশ্য দলের জয়ে অবদান রাখা ডানহাতি ব্যাটারের কীর্তি মোটেও মলিন হয়নি।
দলের জয়ে বহুবার কার্যকরী ইনিংস খেলা ৩৪ বর্ষী ক্রিকেটারকে নিয়ে যতো প্রশংসাই করা হোক, তা যেন যথেষ্ট নয়। নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে জয়ের পর ম্যাচ শেষে সেটিই পরিষ্কার বোঝাতে চাইলেন রোহিত শর্মা। সতীর্থকে নিয়ে ভারতীয় অধিনায়ক জানান নিজের প্রতিক্রিয়া।
‘বিরাট কোহলিকে কিছুই বলার নেই। আমরা তাকে এত বছর ধরে এমনটাই করতে দেখেছি। সে নিজের কাজ করে ফিরে আসবে। শেষের দিকে কয়েকটি উইকেট হারিয়ে কিছুটা চাপ ছিল। কিন্তু কোহলি এবং জাদেজা আমাদের ম্যাচে ফিরিয়ে আনে।’
কিউই অধিনায়ক টম ল্যাথামের কন্ঠেও ছিল কোহলি বন্দনা। বললেন, ‘ম্যাচ সম্পর্কে চিন্তা করে দেখুন। বিরাটের বেশিরভাগ পরিকল্পনা কাজে লাগিয়েছে।’
শ্রেয়াস আয়ারকে নিয়ে হাল ধরে তৃতীয় উইকেটে ৫২ রান যোগ করেন কোহলি। এরপর লোকেশ রাহুলের সঙ্গে গড়েন ৫৪ রানের জুটি। ১০৪ বলে আটটি চার ও দুটি ছক্কায় ৯৫ রান করে থামেন সাবেক অধিনায়ক।
বাংলাদেশের বিপক্ষে কিং কোহলি রোমাঞ্চকর সেঞ্চুরি পেয়েছিলেন। নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষেও ঠিক তেমনই সুযোগ গড়েছিলেন তিনি। তবে এবার না পারলেও দলের জয়ে অবদান রাখতে পারায় নিজের সন্তুষ্টির কথা জানান।
‘আমি বড় একটা অবদান রাখতে চেয়েছিলাম। বিশ্বকাপে আমার কয়েকটি অর্ধশতক ছিল। আমি সেগুলো কখনোই শতকে রূপান্তরিত করতে পারিনি। খেলাটা শেষ করে আসতে চেয়েছিলাম। আমি বছরের পর বছর ধরে দলের জন্য খেলা শেষ করে আসার কাজটাই করে আসছি।’








