খাগড়াছড়ি ও রাঙ্গামাটিতে সাম্প্রতিক ঘটনার কারণে উদ্ভুত পরিস্থিতি এখন অনেকটাই স্বাভাবিক ও শান্ত হয়ে এসেছে। সর্বত্র স্বাভাবিকতা ফিরে আসতে শুরু করেছে। তবে, পার্বত্য দুই জেলায় সহিংস ঘটনার প্রতিবাদে আহুত ৭২ ঘন্টার সড়ক অবরোধের আজ শেষদিন চলছে।
গত দু‘দিনের মতোই দুরপাল্লা ও আভ্যন্তরীন সব সড়কে যানবাহন চলাচল বন্ধ রয়েছে। অবরোধকে কেন্দ্র করে এখনো জেলার কোথাও অপ্রীতিকর ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসমূহে যাচ্ছেনা শিক্ষার্থীরা। ক্লাস কার্যক্রম চলছে না।
অবরোধের কারণে সাজেকে আটকে পড়া পর্যটকদের এখনো ফিরিয়ে আনা সম্ভব হয়নি। সেখানে এক হাজারের বেশি পর্যটক আটকে আছেন। নিরাপত্তাজনিত কারণে তাদের গাড়ি ছাড়ছে না বলে জানান বাঘাইছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শিরিন আক্তার।
অপরদিকে, মো. মামুন নামে যে যুবককে হত্যার ঘটনায় এতো ঘটনা সংগঠিত হয়েছে, সেই হত্যার ঘটনায় খাগড়াছড়ি সদর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে। সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল বাতেন মৃধা জানান, হত্যার শিকার মো. মামুনের স্ত্রী মুক্তা আক্তার বাদি হয়ে এই মামলা দায়ের করেন। মামলায় এজাহারের নামীয় ৩ আসামির সবাই বাঙ্গালি। তাদের মধ্যে ২জন আওয়ামী রাজনীতির সাথে জড়িত। অবশ্য অজ্ঞাতনামা আরো ১০-১২জন পাহাড়ি ও বাঙালিকে আসামি করা হয়।
প্রসঙ্গত; গত ১৮ আগষ্ট ভোরে জেলা সদরের শালবন এলাকার বাসিন্দা মো. মামুনকে চুরির অভিযোগ এনে পিটিয়ে আহত করার পর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু ঘটে। সেই ঘটনার জের ধরে খাগড়াছড়ি ও রাঙ্গামাটিতে সহিংসতায় ৪ জন নিহত ও বহু লোক আহত হন। এই ঘটনার প্রতিবাদে ঢাকা থেকে বিক্ষুব্ধ জুম্ম ছাত্র জনতার সমাবেশ থেকে এই অবরোধের ডাক দেয়া হয়েছিল। আঞ্চলিক সংগঠন ইউপিডিএফ অবরোধ কর্মসূচির প্রতি সমর্থন জানায়।







