ক্রিকেট

‘অত্যন্ত বিনয়ী, প্রায় ধর্মগুরুর মতো’ কোহলিতে মুগ্ধ নিউজিল্যান্ড তারকা

‘অত্যন্ত বিনয়ী, প্রায় ধর্মগুরুর মতো’ কোহলিতে মুগ্ধ নিউজিল্যান্ড তারকা

আসন্ন ওয়ানডে সিরিজে বিরাট কোহলির মুখোমুখি হওয়ার আগে রোমাঞ্চ প্রকাশ করেছেন জ্যাকব ডাফি। আইপিএলে কোহলির সঙ্গে বেঙ্গালুরুতে ড্রেসিংরুম ভাগাভাগি করেছেন কিউই পেসার। কোহলি এত বড় মেগাস্টার হওয়া সত্ত্বেও কতটা বিনয়ী, তা মুগ্ধ করেছে ডাফিকে। বুধবার অকল্যান্ডে শুরু হবে ভারত-নিউজিল্যান্ড ওয়ানডে সিরিজ। সামনের সাউথ আফ্রিকা বিশ্বকাপ নিয়েও ভাবনার কথা জানিয়েছেন তারকা পেসার।

অকল্যান্ডে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে ডাফি জানালেন, রোববার জিমেই কোহলির সঙ্গে দেখা হয়েছে। এসময় বেঙ্গালুরুর দিনগুলো স্মৃতিচারণ করেছেন, ‘ভারতে তিনি প্রায় ধর্মীয় গুরুর মতো, সত্যি বলতে তিনি সেখানে মেগাস্টার। এত বড় তারকা হওয়া সত্ত্বেও তিনি অত্যন্ত বিনয়ী। আরসিবিতে আমাদের মতো বিদেশি খেলোয়াড়দের তিনি যেভাবে আপন করে নিয়েছিলেন, তা সত্যিই দারুণ। এজন্য তার প্রতি কৃতজ্ঞ। তার সঙ্গে ড্রেসিংরুম ভাগ করার পর, এখন তার বিপক্ষে খেলতে নামা দারুণ এক অভিজ্ঞতা হবে।’

ডাফি আরও জানান, আরসিবিতে থাকাকালীন ভারতীয় পিচের আচরণ, কৌশল এবং পরিকল্পনা নিয়ে কোহলির সঙ্গে অনেক গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা হয়েছে। কোহলির কাজের প্রতি নিষ্ঠার প্রশংসা করে বলেছেন, ’তার কাজের প্রতি নিষ্ঠা অসাধারণ। নেটে তাকে অনেক বল করেছি, কারণ তিনি সবসময় প্রথম ব্যাটার হিসেবে নামতেন, আর আমি প্রথম বোলার হিসেবে বল করতাম। নেটে আমরা একে অপরের মুখোমুখি অনেক সময় কাটিয়েছি, যা দারুণ ব্যাপার। এর ফলে তিনি আমার বোলিং সম্পর্কেও বেশ ভালো ধারণা পেয়েছেন, তাই আমার বিপক্ষে খেলার জন্য তার প্রস্তুতিও নিশ্চয় ভালো থাকবে।’

’আমার মনে হয়, আমরা খুঁটিনাটি বিষয়গুলো নিয়ে অনেক আলোচনা করি। ভারতের কিছু পিচ নিয়ে আমাদের কথা হয়েছে। সেখানকার পিচগুলো বেশ ভিন্ন ধরনের, তাই তিনি সেই পিচগুলোতে বল করার সময় লাইন ও লেংথ কেমন হওয়া উচিত, কীভাবে মানিয়ে নিতে হয় এবং আমার ক্ষেত্রেও কীভাবে মানিয়ে নেয়া যেতে পারে তা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেছেন। তার কাছ থেকে পাওয়া এমন ছোট ছোট পরামর্শগুলো খুবই গুরুত্বপূর্ণ ছিল।’

সামনের ওয়ানডে সিরিজ এবং আগামী বছরের বিশ্বকাপ নিয়ে নিউজিল্যান্ড পেসার বলেছেন, ‘ব্যক্তিগতভাবে ওয়ানডে ক্রিকেট বেশ পছন্দ করি। এর ভালো দিক হল, শুরুর দিকে বল সুইং করানো যায় এবং কঠিন লেংথে বল করার সুযোগ থাকে। আবার ইনিংসের শেষদিকে ব্যাটাররা যখন আগ্রাসী হয়ে ওঠে, তখন অন্যধরনের চ্যালেঞ্জ থাকে। আগামী বছর এই সময়েই সাউথ আফ্রিকায় বিশ্বকাপ হবে। আমার মনে হয়, এটি আমাদের অগ্রাধিকার তালিকার একদম উপরের দিকে রয়েছে।’

’২০১৫ ও ২০১৯ সালের বিশ্বকাপ দেখে বড় হয়েছি, আমার কাছে এগুলো ক্রিকেটের সর্বোচ্চ চূড়া। এই বড় টুর্নামেন্টগুলো দেখে বড় হয়েছি, এগুলোর অংশ হওয়ার স্বপ্ন দেখেছি এবং সেখানে খেলার জন্য কঠোর পরিশ্রম করেছি। বিশ্বকাপের আর মাত্র একবছর বাকি, তাই এই ম্যাচগুলো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সবাই নিজেদের পারফরম্যান্সের মাধ্যমে বিশ্বকাপের দলে জায়গা করে নেয়ার দাবি জোরাল করার চেষ্টা করছি।’

বিষয়:জ্যাকব ডাফি নিউজিল্যান্ড বিরাট কোহলি ভারত

আরও পড়ুন

পরবর্তী সংবাদ প্রস্তুত হচ্ছে…