ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে পাঁচ ম্যাচের টি-টুয়েন্টি সিরিজে প্রথম দুটি হেরে বেশ চাপেই ছিল ভারত। তৃতীয় ম্যাচে সূর্যকুমার যাদবের মারকুটে ব্যাটিংয়ে জয় পায় সফরকারী দলটি। এতে সিরিজ জয়ের আশাও টিকে থাকল টিম ইন্ডিয়ার। ম্যাচ শেষে জয়ের নায়ক সূর্যকুমার জানালেন, ওয়ানডের চেয়ে টি-টুয়েন্টি খেলতেই বেশি স্বাচ্ছন্দ বোধ করেন।
গায়ানায় মঙ্গলবার ক্যারিবীয়দের দেয়া ১৬০ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ১৩ বল হাতে রেখে ৭ উইকেটে জয় পায় ভারত। ম্যাচে ৪৪ বলে ১০ চার ও ৪ ছক্কায় ১৮৮.৬৩ স্ট্রাইক রেটে সূর্যকুমারের ব্যাট থেকে আসে ৮৩ রান। ডানহাতি এ ব্যাটারের গড়ে দেয়া ভিতেই সহজে জয়ের বন্দরে পৌঁছায় হার্দিক পান্ডিয়ার দল।
টি-টুয়েন্টিতে সফলতা পেলেও ওয়ানডেতে খুব বেশি সফল নন সূর্যকুমার। ক্রিকেটের ছোট ফরম্যাটে ৫১ ম্যাচে ৪৯ ইনিংস খেলে ৪৫.৬৪ গড়ে ১৭৪.৩৩ স্ট্রাইক রেটে করেছেন এক হাজার ৭৮০ রান। তিনটি সেঞ্চুরি ও ১৪টি হাফ সেঞ্চুরি রয়েছে তার ঝুলিতে। এমনকি আইসিসির বর্ষসেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কারও পেয়েছেন এই ফরম্যাটে।
কিন্তু একদিনের ক্রিকেটে ২৬ ম্যাচ ২৪ ইনিংস খেলে ২৪.৩৩ গড়ে রান করেছেন ৫১১। দুটি হাফ সেঞ্চুরির দেখা পেলেও নামের পাশে নেই কোনো সেঞ্চুরি। এমন বাস্তবতায় ম্যাচ শেষে প্রশ্ন করা হয় ওয়ানডের ফর্ম নিয়ে।
এ প্রসঙ্গে ৩২ বর্ষী ক্রিকেটার বলেন, ‘সত্যি বলতে একদিনের ম্যাচে আমার পরিসংখ্যান একেবারেই খারাপ। এটা স্বীকারে লজ্জার কিছু নেই। টি-টুয়েন্টি ফরম্যাটে আমরা এতো বেশি খেলছি যে এতে অভ্যস্ত হয়ে গেছি। সেই তুলনায় ওয়ানডে ফরম্যাট আমার অনেক কম খেলা হয়। যা আমার কাছে সবচেয়ে কঠিন মনে হয়।’
‘ওয়ানডেতে ভিন্নভাবে ব্যাট করতে হয়। যদি তাড়াতাড়ি উইকেট পড়ে যায়, তবে আপনাকে টেস্ট ক্রিকেটের মতো কিছুটা সময় ব্যাট করতে হয়। তারপর শেষ দিকে টি-টুয়েন্টির মতো খেলতে হয়। আমার টিম ম্যানেজমেন্ট আমাকে যেভাবে প্রক্রিয়াটা অনুসরণ করতে বলে, সেটাই প্রয়োগেরচেষ্টা করি। যে কারণে আমিও সময় নিয়ে শেষ দিকে নিজের খেলাটি খেলতে চেষ্টা করি।’
তবে ওয়ানডে ক্রিকেটের শুরুটাও রঙিন ছিল সূর্যকুমারের। প্রথম ছয় ইনিংসে ৬৫.২৫ গড়ে করেছিলেন ২৬১ রান। দুটি হাফ সেঞ্চুরি আসে তার ব্যাট থেকে। কিন্তু ধীরে ধীরে যেন এই ফরম্যাটের খেলা তিনি ভুলতেই বসেছেন। সবশেষ ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে একটি অর্ধশতকের দেখা পেয়েছিলেন ভারতের এ টপ অর্ডার ব্যাটার।







