ক্ষমতাসীনরা মধ্যবর্তী নির্বাচনে জেতে না, তবু জয়ের চেষ্টা করছি: ট্রাম্প

ছবি: সংগৃহীত
যুক্তরাষ্ট্রে মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) অনুষ্ঠিত হবে মধ্যবর্তী নির্বাচন। নির্বাচনের আগে শেষ প্রচারে অংশ নিয়ে রিপাবলিকানদের জয়ের আহ্বান জানিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি বলেছেন, সাধারণত ক্ষমতাসীন দল মধ্যবর্তী নির্বাচনে জয় পায় না। তবে এবার জয়ের জন্য তারা জোর চেষ্টা চালাচ্ছেন।
সোমবার (২ নভেম্বর) ওয়াশিংটনের লিংকন মেমোরিয়াল রিফ্লেক্টিং পুল এলাকায় নির্বাচনের শেষ প্রচারে অংশ নিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
ট্রাম্প বলেন, কোনো এক কারণে ক্ষমতাসীন প্রেসিডেন্ট মধ্যবর্তী নির্বাচনে জেতেন না। তবে আমরা চেষ্টা করছি। আমাদের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ মধ্যবর্তী নির্বাচন।
নির্বাচনে রিপাবলিকানদের পক্ষে ভোট চেয়ে ট্রাম্প তার বিভিন্ন কাজের কথা তুলে ধরেন। একই সঙ্গে ডেমোক্র্যাট প্রার্থীদের সমালোচনা করে তিনি বলেন, ডেমোক্র্যাটরা যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে সবচেয়ে চরমপন্থী ও বিপজ্জনক প্রার্থীদের মনোনয়ন দিয়েছে। দলটি উগ্র কর্মসূচি ও ‘বিপজ্জনক মতাদর্শ’ অনুসরণ করছে। তবে আমরা প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে আমাদের দেশ, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য রক্ষা করব।
তার বক্তব্যের বড় অংশজুড়ে ছিল ওয়াশিংটনে তার নেওয়া নির্মাণ ও সংস্কার প্রকল্পগুলো। এ সময় ট্রাম্প স্মৃতিস্তম্ভ ও রিফ্লেক্টিং পুলের সংস্কার নিয়েই বেশি কথা বলেন। রিফ্লেক্টিং পুলের সংস্কারকাজে প্রায় দেড় কোটি ডলার ব্যয় ধরা হলেও কাজটি বারবার বাধার মুখে পড়েছে। কোনো প্রমাণ ছাড়াই এ জন্য নাশকতাকারীদের দায়ী করেছেন তিনি।
আজ যুক্তরাষ্ট্রে মধ্যবর্তী নির্বাচন। এ নির্বাচনে কংগ্রেসের দুই কক্ষ প্রতিনিধি পরিষদ ও সিনেটের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে লড়ছে দুই প্রধান দল। জনমত জরিপে প্রতিনিধি পরিষদে ডেমোক্র্যাটদের নিয়ন্ত্রণ ফিরে পাওয়ার আভাস পাওয়া যাচ্ছে। সিনেটের নিয়ন্ত্রণ নিয়েও লড়াই বেশ প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ।
প্রতিনিধি পরিষদের নিয়ন্ত্রণ হারালে ট্রাম্পের জন্য বড় রাজনৈতিক বাধা তৈরি হতে পারে। কারণ, এই কক্ষের নিয়ন্ত্রণ পেলে কেন্দ্রীয় সরকারের বাজেট নিয়ে ভোটাভুটিতে প্রভাব বিস্তার করতে পারবেন ডেমোক্র্যাটরা। পাশাপাশি ট্রাম্প প্রশাসনের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ, জেফরি এপস্টিন সংক্রান্ত নথি এবং অন্যান্য বিতর্কিত বিষয়ে তদন্ত করতে সক্ষম কমিটিগুলোর নিয়ন্ত্রণও তাদের হাতে যাবে।
অন্যদিকে সিনেটের নিয়ন্ত্রণ ডেমোক্র্যাটদের হাতে গেলে ট্রাম্পের মনোনীত বিচারকদের আজীবন নিয়োগ আটকে দিতে পারবেন তারা। এর মধ্যে সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি নিয়োগও রয়েছে।






