সৌদি সরকারের ভিশন ২০৩০ বাস্তবায়ন ও পর্যটন শিল্পকে বিশ্ব দরবারে আকর্ষণীয় করে তুলতে দ্বিতীয় বারের মতো সৌদি আরবের জেদ্দায় জমকালো সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়েই শুরু হচ্ছে ‘জেদ্দা সিজন’। সৌদি আরবে বসবাসরত এশিয়ান সম্প্রদায়ের সমৃদ্ধ বৈচিত্র্যকে তুলে ধরতে নাচে, গানে ও বিভিন্ন ইভেন্টে অনুষ্ঠিত হচ্ছে ‘জেদ্দা সিজন’।
২৬ জুলাই ভারতীয় ও সৌদি নাইট উদযাপনের মধ্য দিয়ে শুরু হচ্ছে কমিউনিটি ফেস্টিভ্যাল।
জেদ্দার কাছা ডিরা হোটেলের কনফারেন্স হলে আয়োজিত জেদ্দা সিজন উপলক্ষে বাংলাদেশসহ বিভিন্ন দেশের সাংবাদিকদের উপস্থিতিতে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেন জেদ্দা সিজনের ইভেন্ট ম্যানেজমেন্টের পরিচালক অধ্যাপক নওশিন ওয়াসিম।
তিনি বলেন, সৌদি আরবে বসবাসরত বিভিন্ন দেশের প্রবাসী ও বর্হিবিশ্ব থেকে আগত পর্যটকদের মধ্যে এরাবিয়ান ও এশিয়ান সংস্কৃতি তুলে ধরা হবে। এ আয়োজনের বাংলাদেশ নাইটে গাইবেন ইমরান ও পরশি। পাশাপাশি ভারত, পাকিস্তান, ইন্দোনেশিয়া, শ্রীলঙ্কা, ফিলিপাইন ও নেপালের সংস্কৃতি কর্মীরা এতে অংশ নেবেন।
সৌদি আরব ও ভারতীয় নাইট শো-তে ভারত থেকে আগত শিল্পীদের নাচে, গানে মাতিয়ে রাখতে আসছেন, দাবীজ, নিকিতা গান্ধী, সালমান আলী, গওহর খান, নৃত্য গোষ্ঠী এবং আল-বাহরাহ সাংস্কৃতিক গোষ্ঠী।
আগামী ২ আগস্ট পাকিস্তান এবং ইন্দোনেশিয়া ফেস্টিভ্যালের নাইট। সেখানে পাকিস্তান থেকে আগত শিল্পীদের নাচে, গানে আনন্দ দিতে আসছে আইমা বেগ, বিলাল সাইদ, সোনো ডেঞ্জারাস ডান্স গ্রুপ, লেডি রারা এবং ইন্দোনেশিয়ার টিম মুহিবাহ আনকোলং।
আর ৯ আগস্ট রাতে বাংলাদেশ ও শ্রীলঙ্কা নাইট। এতে এই প্রথমবারের মতো জেদ্দা সিজনে আসছে সংগীত শিল্পী ইমরান ও পরশি, উপস্থাপিকা ফারজানা বিথীসহ জেদ্দায় প্রবাসীবাংলাদেশী কমিউনিটির নৃত্য শিল্পীরা। শ্রীলঙ্কায় ইভেন্টে থাকছে ইশারা আক্কালঙ্কার, আমান্ডা পেরেইরা, সাশা সানারে এবং নমস্তেহ ডান্স গ্রুপ।

১৬ আগস্ট অনুষ্ঠিত হবে ফিলিপিনো এবং নেপালি ফেস্টিভ্যালনাইট। ফিলিপাইনের কনস্টান্টিনো, নেপালের শিল্পী প্রমোদ খারেল, কিকি ডান্স গ্রুপ এবং রীমা বিশুকাকর্মা। এই নাইট শো’র মধ্য দিয়েই শেষ হবে ‘জেদ্দা সিজন’।
কনসার্টের প্রজেক্ট ম্যানেজার নওশিন ওয়াসিম বলেন, আমরা সৌদি আরবে বসবাসরত এশিয়ান সম্প্রদায়ের সমৃদ্ধ ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির তুলে ধরতে দুই বছর বিরতির পর এবারও জেদ্দা সিজনে জমকালো সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানটি উপস্থাপন করতে পারব বলে আশা করছি।
তিনি বলেন, যেহেতু এগুলো চিত্তাকর্ষক ইভেন্ট, তাই এই ইভেন্টগুলো সাংস্কৃতিক অভিজ্ঞতা বিনিময়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।। পাশাপাশি এতে থাকবে শিশুদের খেলাধুলার ব্যবস্থা, বিভিন্ন সুস্বাদু খাবারের স্টল ও শিল্প প্রদর্শনী।
সংবাদ সম্মেলনে জেদ্দায় ফিলিপিন কনসুলেটর কনসাল জেনারেলসহ বিভিন্ন দেশের কনস্যুলেটের প্রতিনিধিরা এবং সৌদি আরব, বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান, শ্রীলংকা, ফিলিপিন, ইন্দোনেশিয়ার বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।







