রুবিয়ালেসের চুমুকাণ্ড ‘ফুটবলের অপূরণীয় ক্ষতি’
ফিফার নিন্দা জ্ঞাপন

ফুটবল মাঠে বাংলাদেশের ফুটবল দলের কোচের ছবি, তিনি পেশাদার পোশাক পরেছেন।. Channel i News – চ্যানেল আই নিউজ
মেয়েদের ফুটবল বিশ্বকাপে স্পেনের শিরোপা জয়ের পর স্ট্রাইকার জেনিফার হারমোসোকে প্রকাশ্যে চুমু দেয়া ঘটনার নিন্দা জানিয়েছে ফিফা। ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থাটি তাদের প্রতিবেদনে স্প্যানিশ ফুটবল ফেডারেশনের (আরএফইএফ) সাবেক সভাপতি লুইস রুবিয়ালেসকে ‘ফুটবলের অখণ্ডতা এবং সুনামকে যথেষ্ট ক্ষতি’ করার জন্য অভিযুক্ত করেছে।
পদত্যাগের জোরালো দাবি উঠলেও তাতে রাজি ছিলেন না রুবিয়ালেস। ৯০ দিনের জন্য তাকে সাময়িক বরখাস্ত করে ফিফা। শেষপর্যন্ত অবশ্য তিনি পদত্যাগে বাধ্য হন। ৪৬ বর্ষী সাবেক ফুটবলারের আচরণ সম্পর্কে ফিফা বলেছে, তার অযাচিত চুমু এবং ফাইনালের সময় তার অশ্লীল আচরণ স্পেনের প্রথম নারী বিশ্বকাপ জয়ের ‘সাফল্যকে স্পষ্টভাবে কলঙ্কিত করেছে।’
ফিফার প্রতিবেদনে হারমোসোকে তার পক্ষে সাক্ষ্য দেয়ার জন্য চাপ দেয়ার জন্য রুবিয়ালেসের কথিত প্রচেষ্টাকে ‘অসহনীয়’ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, ভুক্তভোগী জেনিফার হারমোসো এবং নারী ফুটবলারদের সংগঠন ফুটপ্রো ইউনিয়নের আনা গুরুতর অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে বরখাস্ত করা ন্যায়সঙ্গত ছিল।
ফুটপ্রো’র বিবৃতিতে রুবিয়ালেসের দিকে ইঙ্গিত করে মন্তব্য করেছিলেন হারমোসো। সেখানে বলেছিলেন, ‘তিনি আমার সম্মতি ছাড়াই চুমু খেয়েছিলেন। এবং কোনো অবস্থাতেই আমি তাকে উঠাতে চাইনি।’ এরপর স্পেনের বিশ্বজয়ী ফুটবলারের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ করার দাবি তুলে তার বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেয়ার ঘোষণাও দিয়েছিলেন রুবিয়ালেস।
এ ব্যাপারে প্রতিবেদনে ফিফা উল্লেখ করেছে, ‘শুধুমাত্র ঘটনা নিয়ে নিজস্ব মতামত প্রদানের জন্য খেলোয়াড়কে আইনি পদক্ষেপের হুমকি দেয়া হয়েছে। এটি বেশ গুরুতর ব্যাপার। তার পারিপার্শ্বিক পরিবেশের উপর এটা চাপ সৃষ্টি করেছিল, যা ছিল অসহনীয় এবং শৃঙ্খলাজনিত পদ্ধতিতে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি।’






