একের পর এক আক্রমণ গড়ে লেবাননের বিপক্ষে দারুণ ফুটবল খেলেও পিছিয়ে পড়েছিল বাংলাদেশ। মাঠের লড়াইয়ে হাল না ছাড়া মানসিকতা দেখানো স্বাগতিক দলের ফুটবলাররা ঠিকই ঘুরে দাঁড়ায় শেখ মোরসালিনের চোখ ধাঁধানো গোলে ১-১ গোলে ড্র নিয়ে মাঠ ছাড়ে হাভিয়ের ক্যাবরেরার শিষ্যরা।
বিশ্বকাপ বাছাইপর্বের দ্বিতীয় রাউন্ডের ‘আই’ গ্রুপের ম্যাচ পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে লাল-সবুজের ড্র পাওয়া নিয়ে নিজের সন্তুষ্টির কথাই জানান ক্যাবরেরা। বারবার গোলের সুযোগ নষ্টের কারণে তার কন্ঠে জয় না পাওয়ার আক্ষেপও ছিল।
‘আমরা এই ম্যাচে তিন পয়েন্ট পেলে গ্রুপে টেবিলের দ্বিতীয় স্থানে থাকতে পারতাম। অনেক গোলের সুযোগ মিস হয়েছে। এমনটা না হলে আমরা জিততেও পারতাম।’
র্যাঙ্কিংয়ের ১৮৩তম স্থানে থাকা বাংলাদেশের চেয়ে ৭৯ ধাপ এগিয়ে লেবানন। গত জুনে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে মধ্যপ্রাচ্যের দেশটির কাছে ২-০ গোলে জামাল ভূঁইয়ার দল হেরেছিল। সেই ম্যাচের তুলনায় এবার ফূটবলাররা বেশি গোছালো ছিল বলেই জানালেন ক্যাবরেরা। র্যাঙ্কিংয়ে অনেক এগিয়ে থাকা থাকা দলের বিপক্ষে ভালো খেলে এক পয়েন্ট পাওয়া অবশ্যই বড় ব্যাপার বলেও উল্লেখ করেন।
‘বাংলাদেশ কোচের ভাষ্য, যেমনটা আশা করেছিলাম তেমন কঠিন লড়াই হয়েছে। তারা আমাদের চেয়ে অনেক ভালো দল। গত কয়েক মাসে আমরা কঠোর পরিশ্রম করেছি এবং আশাবাদী ছিলাম, আমরা ভালো লড়াই করতে পারব। চোখে চোখ রেখে লড়তে পারব।’
‘পয়েন্ট পেয়ে আমরা খুশি। তবে আমাদের আরও উচ্চাভিলাষী হতে হবে। নিজেদের প্রতি বিশ্বাস রাখতে হবে, আরও বড় লক্ষ্য স্থির করতে হবে।’
ম্যাচের ৪০ মিনিটের মাথায় পায়ের চোট পান গোলরক্ষক মিতুল মারমা। বিরতির পর তিনি আর খেলতে নামেননি। গোলপোস্টের সামনে তার পরিবর্তে আসেন মেহেদী হাসান শ্রাবণ।
৬৮ মিনিট গোলরক্ষক শ্রাবণ বল লুফে নিতে ব্যর্থ হন। বাংলাদেশের গোল হজমের পেছনে সেই ভুলের ভূমিকা ছিল। গোলরক্ষক পজিশন নিয়ে দল চ্যালেঞ্জের মুখে ছিল কিনা- এমন প্রশ্নে বিরক্ত ক্যাবরেরা বলেন, ‘শ্রাবণ বাংলাদেশের হয়ে প্রথম খেলছে। এমন ম্যাচে নার্ভাস থাকা অস্বাভাবিক কিছু নয়। এরপরও সে ভালোই খেলেছে। এই ম্যাচে বাংলাদেশের অনেক প্রাপ্তি রয়েছে। এরপরও নেতিবাচক দিক বের করা হচ্ছে।’










