শেরপুর জেলায় সার্বিক বন্যা পরিস্থিতির আরও উন্নতি হয়েছে। পাহাড়ি ঢলের পানি নিন্মাঞ্চলে নেমে গেছে। তবে এখনও নালিতাবাড়ী, ঝিনাইগাতী ও নকলা উপজেলার ৬টি ইউনিয়নের প্রায় ৩০ হাজার মানুষ পানিবন্দী অবস্থায় আছেন। তৈরি হয়েছে মানুষ ও পশু খাদ্যের সংকট।
শেরপুরে পাহাড়ি ঢলের পানি নেমে যাওয়ায় বন্যাকবলিত এলাকায় ক্ষয়ক্ষতির চিত্র ভেসে ওঠতে শুরু করেছে। ঘরবাড়ী, আবাদ ফসল হারিয়ে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন বন্যাকবলিতরা। বন্যাকবলিত এলাকায় খাবারের পাশাপাশি গো-খাদ্যের চরম সংকট দেখা দিয়েছে। অনেক এলাকায় জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। দেখা দিয়েছে পানিবাহিত নানা রোগব্যাধি।
বাড়ি-ঘর হারিয়ে অসহায় অনেক পরিবার নি:স্ব হয়ে গেছে। বিশেষ করে যাদের মাটির ঘর বিধ্বস্ত হয়েছে, তারা এখন পরিবার-পরিজন নিয়ে খোলা আকাশের নীচে ভীষণ কষ্টে অমানবিক দিনযাপন করছেন। জরুরী ভিত্তিতে তাদের অন্তত থাকার ব্যবস্থা করতে অস্থায়ী ভিত্তিতে হলেও ঘর করার জন্য পুণর্বাসন সহায়তা প্রয়োজন। এজন্য ক্ষতিগ্রস্তরা সরকারী-বেসরকারি সহায়তা কামনা করেছেন।
সিভিল সার্জন অফিস সূত্রে জানা গেছে, বন্যাকবলিত এলাকাগুলোতে প্রত্যেক ইউনিয়নে একটি করে মেডিকেল টিম কাজ করছে।








