নোয়াখালীতে বন্যা পরিস্থিতি অপরিবর্তিত রয়েছে। কমছে না পানি। এখনো তলিয়ে আছে পথঘাট। ঘরবাড়িতে পানি থাকায় এখনো আশ্রয় কেন্দ্রে আছে মানুষ। তবে খাবার সংকট রয়েছে। বিশেষ করে দুর্গম গ্রামীণ এলাকা যেখানে নৌকা ছাড়া যোগাযোগ করা যায় না সেখানে কোনো ত্রাণ সহায়তা পৌঁছায়নি।
এদিকে, সাগরে অতিরিক্ত জোয়ার থাকায় হাতিয়ার মেঘনা নদীর বুকে জেগে থাকা ঘাসিয়ার চর, ঢাল চর, নিঝুম দ্বীপসহ প্রায় সবগুলো চর হাঁটু বা কোমর সমান পানিতে তলিয়ে গেছে।
বন্যাদুর্গত এলাকায় বিশুদ্ধ খাবার পানি, পানি বিশুদ্ধকরণ টেবলেট ও ঔষধের তীব্র সংকট। ডায়রিয়া ও পানিবাহিত রোগ প্রকট আকার ধারণ করেছে। জেলার ১১৬৯ আশ্রয়কেন্দ্রে প্রায় ২ লক্ষ ১৬ হাজার মানুষ আশ্রয় নিয়েছেন। ডায়রিয়ায় রোগে ১৮৯ জন ও সাপের কামড়ে ৭১ জন সদর হাসপাতালে ভর্তি আছে ।
এদিকে, নোয়াখালীতে বন্যাকবলিত এলাকায় ৯ আর্মড পুলিশ ব্যাটেলিয়া চট্টগ্রাম-এর উদ্যোগে খাদ্যসহায়তা করা হয়েছে। এ সময় তারা নৌকা করে বিভিন্ন প্রত্যন্ত অঞ্চলে বাড়ি বাড়ি গিয়ে বন্যাকবলিত এলাকার পানিবন্দী মানুষের মাঝে এই খাদ্য সহায়তা করেন। এই সময় তারা চাল, ডাল শুকনো খাবার, বিশুদ্ধ খাবার পানি, মোমবাতি, নিরাপদ পানি ও রান্না করা খাবারসহ বিভিন্ন প্রয়োজনীয় খাদ্য সামগ্রী তুলে দেয় বন্যায় পানিবন্দি মানুষদের হাতে।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন ৯ আর্মড পুলিশ ব্যাটেলিয়ানের সহ-অধিনায়ক (পুলিশ সুপার) দীপক জ্যোতি খীসাসহ আর্মড পুলিশের বিভিন্ন কর্মকর্তারা।







