সাফের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে ভুটানের বিপক্ষে দুই ম্যাচের সিরিজে প্রথমটিতে বড় জয় পায় বাংলাদেশ জাতীয় নারী ফুটবল দল। প্রথমার্ধে এক গোলে পিছিয়ে থাকলেও বিরতির পর দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়িয়ে সাগরিকার হ্যাটট্রিকে শেষপর্যন্ত ৫-১ গোলের দাপুটে জয়ে মাঠ ছাড়ে পিটার বাটলারের শিষ্যরা। দ্বিতীয় ম্যাচেও সাবিনা খাতুনের দল বড় জয় নিয়েই দেশে ফিরতে মরিয়া।
শনিবার থিম্পুর চাংলিমিথাং স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ সময় সন্ধ্যা ৬টায় মাঠে গড়াবে সিরিজের দ্বিতীয় ও শেষ ম্যাচ। ম্যাচের আগের দিন শুক্রবার অনুশীলনের এক ফাঁকে বাঘিনীদের অধিনায়ক সাবিনা কথা বলেন।
দুই বছর আগে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের সেমিফাইনালে ভুটানকে ৮-০ গোলে উড়িয়ে দেয় বাংলাদেশ। সেই খেলায় হ্যাটট্রিক করেছিলেন সাবিনা। হিমালয়ের নিকটবর্তী দেশটি যে পার্থক্য কমিয়ে এনে আগের চেয়ে উন্নতি করেছে, সেই বাস্তবতা সাবিনা উপলব্ধি করছেন।
‘প্রথম ম্যাচটা যদি দেখে থাকেন, সাফে যে ভুটানকে দেখেছি তার চেয়ে এই দলটা অনেক ভালো অবস্থানে আছে। আমাদের মেয়েরা সবাই চেষ্টা করেছে তাদের স্বাভাবিক ফুটবলটা খেলার এবং ফলটা পেয়েছি। গত ম্যাচের ছোট ছোট যে ভুল-ত্রুটি ছিল, সেগুলোকে সংশোধন করে পরের ম্যাচটাও যেন বড় জয় এনে দিতে পারি, সেই লক্ষ্য নিয়েই মাঠে নামবো।’
জাতীয় দলের জার্সিতে অভিষেক ম্যাচেই হ্যাটট্রিকের দেখা পান সাগরিকা। দেশের হয়ে প্রথমবার খেলতে নেমেই এমন কীর্তি গড়বেন , সেটি তিনি নিজেও কল্পনা করেননি। যদিও গোল করার ক্ষুধা এই ফুটবল কন্যার বিন্দুমাত্র কমেনি।
‘আমি চাই সামনের ম্যাচে যেন আরও বেশি গোল দিয়ে ভালো ব্যবধানে জিতে বাংলাদেশে ফিরি। হ্যাটট্রিকের পর অনেক ভালো অনুভূতি ছিল। কখনো ভাবিনি গোল করতে পারব, সেখানে হ্যাটট্রিক করেছি। বাংলাদেশকে হ্যাটট্রিক উৎসর্গ করতে চাই।’
বিশেষ সেই মুহূর্তে কার কথা বেশি মনে পড়েছিল- এমন প্রশ্নে লাজুক হাসি দিয়ে সাগরিকা বলেন, ‘বাংলাদেশের কথা মনে পড়েছে। কোচের কথা মনে পড়েছে। কোচ যদি এত দূর নিয়ে না আসতেন তাহলে তো হ্যাটট্রিক করতে পারতাম না।’








