মিয়ানমারের আরাকান আর্মি ও মিয়ানমার সেনাবাহিনীর ব্যাপক সংঘর্ষে নিহত হচ্ছে রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠী। দু’পক্ষের গোলাগুলি ও গোলাবর্ষণে রোহিঙ্গাদের বসতি পুড়ছে। হতাহত হয়েছে কয়েকশ। এতে প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়ায় ছন্দপতন ঘটার পাশাপাশি আবারও বাংলাদেশে রোহিঙ্গাদের অনুপ্রবেশের আশঙ্কা করছে শরণার্থী কমিশনার কার্যালয়সহ নানা মহল।
মিয়ানমারের সেনাবাহিনীর সাথে আরাকান আর্মির মধ্যে গত কয়েক বছরে এক মাস ধরে সংঘর্ষ তীব্ররূপ নিয়েছে। সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়ছে পুরো রাজ্যজুড়ে। রাজ্যটিতে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন থাকায় হতাহতদের অনেকে চিকিৎসা নিতে পারছেন না। অনেকে নিজের গ্রামে বন্দি অবস্থায় রয়েছেন। এতে খাদ্যসহ জীবনধারণের জন্য প্রয়োজনীয় উপকরণেরও সংকট দেখা দিয়েছে। আরাকানের বেশিরভাগ জায়গায় মোবাইল নেটওয়ার্ক বন্ধ থাকায় সঠিক সময়ে সেখানকার খোঁজ নেওয়া সম্ভব হচ্ছে না।
আরাকানে এখনও পাঁচ থেকে ছয় লাখ লাখের বেশি রোহিঙ্গার বসবাস রয়েছে। স্বদেশে ফেরা বাধাগ্রস্ত করার পাশাপাশি আরাকানকে রোহিঙ্গা শূন্য করতে রোহিঙ্গা বসতিতে হামলা চালাচ্ছে মিয়ানমার সেনাবাহিনী। এমন পরিস্থিতিতে অনেকে বাংলাদেশে প্রবেশ করার চেষ্টা করছেন বলে বলে জানিয়েছেন জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক হাইকমিশনার মোহাম্মদ মিজানুর রহমান।
গত ১৫ জানুয়ারি রাখাইন রাজ্যের পালেতওয়া শহরটি দখলে নেওয়ার দাবি করে বিদ্রোহী গোষ্ঠী আরাকান আর্মি। এরপর গত শুক্রবার আরাকান আর্মি জানায়, তারা রাখাইনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বন্দনগরী পাউকতাও দখল করে নিয়েছে।








