আন্তর্জাতিক

হাঙরের সঙ্গে লড়াই করে নিশ্চিত মৃত্যু থেকে ছেলেকে বাঁচালেন বাবা

বিপজ্জনক হাঙর সমুদ্রে তেড়ে আসছে, দাঁত বের করে আক্রমণের জন্য প্রস্তুত. Channel i News - চ্যানেল আই নিউজ

সমুদ্রে একটি হাঙর তার মুখ খুলে আক্রমণের জন্য প্রস্তুত, জলরাশি চারপাশে ছড়িয়ে পড়ছে।. Channel i News – চ্যানেল আই নিউজ

নিজের জীবন বাজি রেখে ছেলেকে সাক্ষাৎ মৃত্যুর মুখ থেকে বাঁচিয়ে আনলেন দক্ষিণ অস্ট্রেলিয়ার এক ব্যক্তি। বাবার সাথে সমুদ্রে মাছ ধরছিল ১৬ বছরের কিশোর নাথান নেস। এসময় একটি বিশাল হাঙর তাদের নৌকার সামনে চলে আসে। বিশালাকায় ‘গ্রেট হোয়াইট শার্ক’ দেখে কিছুটা উত্তেজিত হয়ে পড়েছিল নাথান।

মঙ্গলবার ২৩ এপ্রিল আনন্দবাজার পত্রিকা’র প্রতিবেদনে বলা হয়, হাঙরটির ছবি এবং ভিডিও করতে শুরু করে কিশোর। কিন্তু হটাৎ কিশোরের উপর হামলা করে হাঙরটি।

প্রতিবেদনে বলা হয়, রোববার দক্ষিণ অস্ট্রেলিয়ায় সমুদ্র উপকূল থেকে দু’মাইল দূরে ছেলে নাথান নেসকে নিয়ে নৌকা করে মাছ ধরতে গিয়েছিলেন মাইকেল নেস। সেই সময় একটি হাঙর দেখতে পায় নাথান। কাছ থেকে বিশালাকার সেই প্রাণীকে দেখে অত্যুৎসাহী হয়ে পড়েছিল সে। মোবাইলে সেই হাঙরের ছবি এবং ভিডিও করতে শুরু করে। তখনই হাঙরটি হামলা চালায়। নাথানের পা ধরে টেনে নিয়ে যায় হাঙরটি। এই দৃশ্য দেখে ছেলেকে বাঁচাতে পানিতে ঝাঁপ দেন মাইকেলও।

স্থানীয় সংবাদমাধ্যমে মাইকেল বলেন, ছেলেকে হাঙরে টেনে নিয়ে যাচ্ছে, চোখের সামনে এ দৃশ্য দেখে শিউরে উঠেছিলাম। এক মুহূর্ত দেরি না করে নদীতে ঝাঁপ দিই। তার পর হাঙরের মুখ থেকে ছেলেকে ছিনিয়ে নিয়ে আসি।

মাইকেল বলেন, নাথানের পা হাঙরের চোয়ালের মাঝে আটকে ছিল। হাঙরের চোয়ালে আঘাতের পর আঘাত করেন তিনি। তার পরই হাঙরটি নেসকে ছেড়ে দেয়। ছেলেকে বাঁচাতে বেশ কিছুক্ষণ ওই ‘জলদানব’র সঙ্গে লড়াই চালিয়েছিলেন বলে দাবি মাইকেলের।

নাথানের পায়ে গভীর ক্ষতের সৃষ্টি হয়েছে। তাকে উদ্ধার করে প্রথমে নিজেদের নৌকায় নিয়ে আসেন। তারপর উদ্ধারকারীদের খবর দেন মাইকেল। নাথানকে দ্রুত উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। তার অবস্থা স্থিতিশীল বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকেরা।

বিষয়:বাবা-ছেলে

আরও পড়ুন

পরবর্তী সংবাদ প্রস্তুত হচ্ছে…