উপস্থাপক রাফসান সাবাব ও সংগীতশিল্পী জেফারের বিয়ের খবরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যখন তুমুল আলোচনা চলছে, ঠিক সেই সময় একটি পোস্ট দিয়েছেন রাফসানের সাবেক স্ত্রী সানিয়া শামসুন এশা। তার এই বক্তব্য নতুন করে আলোচনায় এনেছে রাফসানের প্রথম সংসার ভাঙন ও পরবর্তী সম্পর্কের প্রসঙ্গ।
২০২৩ সালে রাফসান সাবাব ও ডা. এশার বিবাহবিচ্ছেদ হয়। তবে সাম্প্রতিক বিয়ের পর নেটিজেনদের একটি অংশ দাবি করছেন, প্রথম সংসারে থাকাকালীনই রাফসানের সঙ্গে জেফারের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। যদিও রাফসান ও জেফার বরাবরই এ দাবি অস্বীকার করে এসেছেন এবং নিজেদের ‘ভালো বন্ধু’ বলেই পরিচয় দিয়েছেন।
এই বিতর্কের মধ্যেই ডা. এশা তার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া পোস্টে সরাসরি কারও নাম উল্লেখ না করলেও বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেছেন। তিনি লেখেন, “বাংলাদেশের প্রতিটি মানুষই জানে বর্তমানে কী ঘটছে এবং সত্যটা কী। এ বিষয়ে আমার আর বেশি কিছু বলার প্রয়োজন মনে করি না।”
পোস্টে তিনি জানান, জীবনের এক কঠিন সময় পার করে তিনি এখন আর কারও ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে ভাবতে চান না। ডা. এশার ভাষায়, “আমি গভীর মানসিক আঘাত পেরিয়ে এসেছি এবং সেই অবস্থান থেকে উঠে এসে নিজের জন্য কিছু অর্জন করতে অক্লান্ত পরিশ্রম করেছি।”
তিনি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন তার জীবনের এই যাত্রাপথে পাওয়া কাছের ও দূরের মানুষের ভালোবাসা ও সমর্থনের জন্য। একই সঙ্গে জানান, বর্তমানে তার পুরো মনোযোগ নিজের জীবন ও ক্যারিয়ার গড়ার দিকে।
ডা. এশা আরও লেখেন, তিনি এমন একটি জীবন গড়ে তুলতে চান, যা কোনো সংকটে তাকে অসহায় করে তুলবে না। অতীতের পরিচয় থেকে বেরিয়ে আসার ইচ্ছাও স্পষ্ট করেন তিনি। তার কথায়, “আমি আর আমার অতীত পরিচয় বহন করতে চাই না, কিংবা আগে যাকে চিনতাম তার সঙ্গে নিজের নাম জড়িয়ে প্রশ্নের মুখে পড়তে চাই না।”
পোস্টের শেষ অংশে নিজের পরিচয় নিয়ে দৃঢ় অবস্থান জানান ডা. এশা। তিনি লেখেন, “আমি চাই আমার পরিচয় হোক শুধু একটাই—‘ডা. এশা’। একটি নাম, একটি পরিচয়—যার পাশে আমি গর্বের সঙ্গে দাঁড়াতে পারি।”
রাফসান-জেফারের বিয়েকে ঘিরে চলমান গুঞ্জনের ভেতরে ডা. এশার এই সংযত অথচ দৃঢ় বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপকভাবে আলোচিত হচ্ছে। অনেকেই তার সাহসী অবস্থান ও আত্মমর্যাদার প্রশংসা করছেন।







