ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) ও হল সংসদ নির্বাচন ঘিরে নানা পদক্ষেপ নিয়েছে নির্বাচন কমিশন। । আজ সোমবার একাধিক নির্দেশনা জারি করেছে চিফ রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয়। এতে বলা হয়েছে, ভুয়া কার্ড দিয়ে ভোট দেওয়ার কোনো সুযোগ নেই। তিন ধাপে পরিচয় যাচাই শেষে ভোট দিতে হবে শিক্ষার্থীদের।
মঙ্গলবার ৯ সেপ্টেম্বর সকাল আটটা থেকে বিকেল চারটা পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে ভোটগ্রহণ চলবে।
একই সঙ্গে সোমবার রাত ৮টা থেকে ১১ সেপ্টেম্বর দুপুর ১২টা পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় বৈধ বা লাইসেন্সধারী অস্ত্র বহন নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রবেশপথও নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে। সোমবার রাত ৮টা থেকে বুধবার সকাল ৬টা পর্যন্ত শাহবাগ, পলাশী, দোয়েল চত্বর, শিববাড়ি ক্রসিং, ফুলার রোড, উদয়ন স্কুল ও নীলক্ষেত প্রবেশপথ সাধারণ মানুষের জন্য বন্ধ থাকবে। তবে বৈধ আইডি কার্ডধারী শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও কর্মকর্তা-কর্মচারীরা প্রবেশ করতে পারবেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের স্টিকারযুক্ত ও জরুরি সেবার যানবাহন ছাড়া অন্য কোনো গাড়ি ক্যাম্পাসে ঢুকতে পারবে না। শিক্ষক–কর্মকর্তাদের পরিবারের সদস্যদের প্রবেশ করতে হলে প্রক্টর অফিস থেকে নিরাপত্তা পাস নিতে হবে।
স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে প্রতিটি ভোটকেন্দ্রের বাইরে এলইডি স্ক্রিনে সরাসরি ফলাফল দেখানো হবে। ভোট শুরুর আগে সাংবাদিকদের উপস্থিতিতে খালি ব্যালট বাক্স সিলগালা করা হবে।
ভোটকেন্দ্রে ব্যাগ, মোবাইল ফোন, স্মার্ট ওয়াচ, ইলেকট্রনিক ডিভাইস, পানির বোতল ও তরলজাতীয় পদার্থ আনা নিষিদ্ধ করা হয়েছে। শিক্ষার্থীদের সুবিধার্থে নির্বাচনের দিনে ক্যাম্পাসে চক্রাকার শাটল সার্ভিস চালু থাকবে। সকাল ৭টা ৪৫ মিনিট থেকে বিকেল ৩টা ৫০ মিনিট পর্যন্ত এ সার্ভিস চলবে।
বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের দাবি, নির্বাচন ঘিরে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে কোনো শঙ্কা নেই। শিক্ষার্থীদের গুজবে কান না দেওয়ার আহ্বানও জানানো হয়েছে।
এবারের ডাকসু ও হল সংসদ নির্বাচনে মোট ভোটার ৩৯ হাজার ৮৭৪ জন। এর মধ্যে ছাত্র ২০ হাজার ৯১৫ ও ছাত্রী ১৮ হাজার ৯৫৯ জন। ডাকসুর ২৮টি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ৪৭১ জন প্রার্থী। সহসভাপতি (ভিপি) পদে ৪৫ জন এবং সাধারণ সম্পাদক (জিএস) পদে লড়ছেন ১৯ জন। ১৮টি হল সংসদের ২৩৪টি পদের জন্য প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ১ হাজার ৩৫ জন প্রার্থী।







