যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তার প্রশাসনের গুরুত্বপূর্ণ পদে একের পর এক মনোনয়ন ঘোষণা করছেন। এসব মনোনীত প্রার্থীর ক্ষেত্রে ঘনিষ্ঠ মিত্রদের ওপর বেশি জোর দেওয়া হচ্ছে, যদিও তাদের অনেকেরই সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রের নীতিগত অভিজ্ঞতা সীমিত। বিষয়টি নিয়ে দেশটির প্রধান দুই রাজনৈতিক দলের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।
বিবিসি জানিয়েছে, স্থানীয় সময় (১৭ নভেম্বর) রোববার সিএনএনের স্টেট অব দ্য ইউনিয়ন অনুষ্ঠানে যুক্তরাষ্ট্রের হাউস স্পিকার মাইক জনসন বলেছেন, নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এমন ব্যক্তিদের মনোনীত করছেন, যারা প্রশাসনের প্রচলিত ধারা বদলে দেবে। তারা এমন ব্যক্তি যারা প্রচলিত পরিস্থিতিকে নাড়িয়ে দেবে। আমি মনে করি এটা পরিকল্পিত।
মনোনীত হচ্ছেন অনভিজ্ঞ প্রার্থীরা
ট্রাম্পের প্রতিরক্ষা সচিব পদে মনোনীত পিট হেগসেথ এর বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির অভিযোগ আছে, যদিও তিনি তা অস্বীকার করেছেন। আর অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে সম্ভাব্য প্রার্থী ম্যাট গেটজ নৈতিকতা কেলেঙ্কারির অভিযোগের মুখে রয়েছেন। স্বাস্থ্য সচিব পদে প্রার্থী রবার্ট এফ কেনেডি জুনিয়র তার টিকা-বিরোধী মনোভাবের কারণে ব্যাপক সমালোচিত।
ট্রাম্পের সাম্প্রতিক মনোনীতদের মধ্যে অন্যতম হলেন ক্রিস রাইট, একজন তেল কোম্পানির নির্বাহী। তাকে জ্বালানি সচিব হিসেবে মনোনীত করা হয়েছে। রাইটের সরকারি কাজের অভিজ্ঞতা না থাকলেও, ট্রাম্পের প্রচারণা বলছে যে তিনি ফ্র্যাকিং (গ্যাস ও পেট্রোলিয়াম) শিল্পের বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন।
ট্রাম্প জুনিয়রের ব্যাখ্যা
এই বিষয়ে রোববার ফক্স নিউজে ট্রাম্পের ছেলে ডোনাল্ড ট্রাম্প জুনিয়র তার বাবার মনোনীতদের সমর্থন করে বলেন, আমরা জানি ভালো এবং খারাপ লোক কারা। আমার বাবাকে এমন দক্ষ এবং বিশ্বস্ত লোক দিয়ে ঘিরে রাখা হচ্ছে, যারা তার প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করবে। তারা এমন কেউ নয় যারা নিজেদের অপ্রতিদ্বন্দ্বী আমলাতান্ত্রিক মনে করে।
ডোনাল্ড ট্রাম্প জুনিয়র স্বীকার করেন যে, কিছু মনোনীত প্রার্থী বিতর্কিত এবং সিনেট অনুমোদনের ক্ষেত্রে সমস্যায় পড়তে পারেন। তবে তিনি বলেন, আমাদের বিকল্প ব্যবস্থা আছে, তবে আমরা প্রথমে সবচেয়ে শক্তিশালী প্রার্থীদের নিয়ে এগোচ্ছি। আপনারা জানেন, তাদের মধ্যে কিছু বিতর্কিত হবে কারণ তারা আসলে কাজ করবে।








