সাউথ চীনে ৫৬ বছর বয়সী একজন নারী এইচ৩এন৮ এভিয়ান ইনফ্লুয়েঞ্জার সংক্রমণে মারা গেছেন বলে জানিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)। এই ঘটনাকে বার্ড ফ্লুর জন্য প্রথম মানব মৃত্যু হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।
এইচ৩এন৮ যদিও পাখিদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি পাওয়া যায়, যা ফ্লুর উপ-প্রকারগুলির মধ্যে একটি। এটি চীনে গত বছরের এপ্রিল এবং মে মাসে দুটি রুপে শনাক্ত হয়। তবে এর আগে মানুষের মধ্যে এটি সনাক্ত করা যায়নি।
আলজাজিরার প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।
ডব্লিউএইচও এক বিবৃতিতে বলেছে , চীনা সেই মহিলার ক্যান্সারসহ আরও কিছু সমস্যা ছিল। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে অসুস্থ হয়ে পড়ার পর গুরুতর নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হয়ে তিনি হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন। পরে গত মাসে মারা যান তিনি।
চীনে এইচ৩এন৮ সংক্রামিত তিনজনই জীবিত পোল্ট্রি বাজারে ভাইরাসের সংস্পর্শে এসেছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। জাতিসংঘের স্বাস্থ্য সংস্থা বলেছে, চীনা সরকার সংক্রমণের ঝুঁকি কমানোর জন্য পর্যবেক্ষণ বাড়িয়েছে।
এইচ৩এন৮ সংক্রমণ এইচ৫এন১ বার্ড ফ্লু মহামারীর সাথে সম্পর্কিত নয়। এইচ৫এন১ গত ১৮ মাসে বিশ্বজুড়ে হাঁস-মুরগি , বন্য পাখিদের, শিয়াল, ভালুক ,গৃহপালিত বিড়ালসহ স্তন্যপায়ী প্রাণীদের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ে তাদের মৃত্যুর কারণ হয়েছে।
ভ্যান্ডারবিল্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের সংক্রামক রোগ বিভাগের মেডিসিনের অধ্যাপক উইলিয়াম শ্যাফনার আল জাজিরাকে বলেন, মানুষকে সংক্রামিত করতে এইচ৫এন১ ভাইরাস মানবদেহের ফুসফুসের রিসেপ্টরে আক্রমণ করে।
এইচ৩এন৮ ভাইরাসটি বন্য পাখি , গৃহপালিত হাঁস-মুরগি উভয়ের জন্য এইচ৫এন১ ভাইরাসের তুলনায় কম বিপজ্জনক। ২০০২ সালে নর্থ আমেরিকার পানিতে বসবাসরত পাখিদের মধ্যে প্রথম এই ভাইরাস দেখা যায়। এটি সাধারণত ঘোড়া, কুকুর এবং সীলকে সংক্রামণ করে।








