প্রধান উপদেষ্টা নিজে বা তার কার্যালয় আগামী নির্বাচনের কোন তারিখ ঘোষণা করেননি। নির্বাচন নিয়ে বাকিদের তথ্য একান্ত ব্যক্তিগত বলে দাবি করেছে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং।
রোববার (২৪ নভেম্বর) রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলা হয়। রাজধানীর যানজট নিরসনে সরকার একটি পরিকল্পনা নিয়ে এগুচ্ছে বলেও জানানো হয় সংবাদ সম্মেলনে।
প্রেস উইং এর সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়েছে, অপরাধের সুনির্দিষ্ট অভিযোগ বা প্রমাণ না থাকলে বিমানবন্দরে কোন সাংবাদিককে হয়রানি করা হবে না। এবিষয়ে সুনির্দিষ্ট নীতিমালা করা হবেও বলে সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়।
প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম বলেন, সরকার এ বিষয়ে একটি নীতিমালা করবে। সরকারের সব গোয়েন্দা সংস্থা কথা বলে একটি নীতিমালার আলোকে অবশ্যই সেখানে ভিন্নমতালম্বী সাংবাদিকদের নাম থাকবে না। কিন্তু অনেক ক্ষেত্রে ব্যাংক থেকে বলা হয়— কাউকে বিদেশগমনে বাধা দিতে হবে বা কোর্টের অর্ডার থাকে। পুরো বিষয়টি যাতে সুনির্দিষ্ট নীতিমালার মধ্যে থাকে, দেশের সব মানুষের বিষয়টি সম্পর্কে স্বচ্ছ ধারণা থাকে, এগুলো স্পষ্ট নীতিমালার মাধ্যমে আসবে।
ডেপুটি প্রেস সচিব আবুল কালাম আজাদ মজুমদার বলেন, গুম কমিশন এখনও কোনও সুপারিশ সরকারকে দেয়নি। আগামী (ডিসেম্বর) মাসের মাঝামাঝি সরকারকে একটি প্রতিবেদন তারা দেবে। সেই প্রতিবেদনের মাধ্যমে কোনও সিদ্ধান্তের প্রয়োজন হলে সরকার নেবে।
এক প্রশ্নের জবাবে আজাদ মজুমদার বলেন, জনপ্রশাসনে বদলি-পদোন্নতি স্বাভাবিক বিষয়। যেহেতু দেশে একটা পটপরিবর্তন হয়েছে। এ কারণে জনপ্রশাসনের রদবদল জন-দাবি। সরকারও মনে করেছে, কাজে গতিশীলতা আনার জন্য প্রশাসনে কিছু অবশ্যম্ভাবী রদবদল করতে হবে। সেই অনুযায়ী সরকার কাজ করছে। শূন্যপদে উপযুক্ত কাউকে মনে করা হলে নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে। এগুলো স্বাভাবিক বিষয়। প্রশাসনে গতিশীলতা আনার জন্য নিয়মিত করে যাবে।








