দেশের শিল্প-সংস্কৃতির উজ্জ্বল নক্ষত্র, নন্দিত চিত্রশিল্পী ও পাপেট আন্দোলনের পথিকৃৎ মুস্তাফা মনোয়ারের প্রয়াণে শোকের আবহে নানা স্মৃতি উঠে আসছে সহকর্মী, সংস্কৃতিকর্মী ও অনুরাগীদের লেখায়। গুণী এই শিল্পীর প্রয়াণ দিনে ছোট্ট একটি স্মৃতি শেয়ার করেছেন লেখক ও চলচ্চিত্র সমালোচক বিধান রিবেরু।
‘একে একে নিভিছে দেউটি’ নামে দেওয়া সেই স্মৃতিচারণে তিনি ফিরে গেছেন গত বছর। হাসপাতালে মুস্তাফা মনোয়ারকে দেখতে গিয়ে সেই স্মৃতি মুহূর্তটি তৈরী হয় বলে জানান রিবেরু।
তিনি বলেন, “গত বছর স্কয়ার হাসপাতালে দেখা হয়েছিল। হুইল চেয়ারে বসা ছিলেন। মৃদু বাক্য বিনিময় হলো। ম্লান হাসি।”
বিধান রিবেরুর ভাষায়, “হুট করে এক কমবয়সী নার্স এসে সালাম দিয়ে বললেন, আপনি টিভিতে পুতুল নাচাতেন না? আপনার নামটা ভুলে গেছি। দেখলাম মুস্তাফা মনোয়ার মুচকি হাসলেন। ব্যথিত হাসি।”
স্মৃতিচারণে তিনি উল্লেখ করেন, আজকালকার প্রজন্ম তাঁকে মনে রাখেনি। অথচ তিনি বিটিভির সূচনাপর্বে বিপ্লব ঘটিয়েছিলেন ‘রক্তকরবী’র টিভি প্রযোজনা করে। এরপর বাংলাদেশের সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যকে পাপেটের মাধ্যমে নিয়ে গিয়েছিলেন অনন্য উচ্চতায়।
শিশুদের জন্য নির্মিত অনুষ্ঠান, পাপেট শো এবং সাংস্কৃতিক উদ্যোগের মধ্য দিয়ে কয়েক প্রজন্মের শৈশবের অংশ হয়ে থাকা এই মানুষটির বিদায়ে সংস্কৃতি অঙ্গনে তৈরি হয়েছে গভীর শূন্যতা।








