বিদেশের মাটি থেকে দেশের জন্য সম্মান বয়ে নিয়ে আসা সাফ ফুটবল বিজয়ী জাতীয় দলের নারী ফুটবলারদের সংবর্ধনা দিয়েছে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনী ও অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশন। দিয়েছে কোটি টাকার অর্থ পুরস্কার। সংবর্ধনা জানানো হয় বঙ্গোপসাগরের কিনারা ঘেঁষে কক্সবাজারের ইনানিতে একটি হোটেলে। যেখানে নারী ফুটবলারদের পাশাপাশি পরিবারের সদস্যাও আয়োজনে অংশ নেয়ায় মিলনমেলায় পরিণত হয়।
শনিবার রাতে উখিয়া উপজেলার জালিয়াপালং ইউনিয়নের ইনানীস্থ হোটেলে হয় সংবর্ধনা আয়োজন। প্রধান অতিথির বক্তব্যে সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান বলেন, নানা প্রতিকূলতা স্বত্বেও বাংলাদেশ নারী ফুটবল দল এগিয়ে যাচ্ছে। যেটার স্বীকৃতি সাফজয়ী নারী ফুটবল দল অর্জন করেছে। উৎসবের আমেজে সংবর্ধনার এ আয়োজন নারী ফুটবলারদের প্রেরণা যোগাবে।
আগামীতেও নারী ফুটবলাররা দেশের সম্মান অক্ষুণ্ণ রেখে বড় অর্জনের লক্ষ্যে এগিয়ে যাবে, মনে করেন বাংলাদেশ অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ওয়াকার-উজ-জামান। বলেন, দেশের ফুটবলকে এগিয়ে নিতে অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশনের পাশাপাশি সেনাবাহিনীও প্রচেষ্টা চালাচ্ছে। সেনাবাহিনীতেও নারী ফুটবল দল গঠন করা হয়েছে। ইতিমধ্যে সেনাবাহিনীর নারী ফুটবল বেশ সফলতাও অর্জন করেছে।
অনুষ্ঠানে অতিথি ছিলেন বিমানবাহিনী প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খান, নৌবাহিনী প্রধান অ্যাডমিরাল মুহাম্মদ নাজমুল হাসান, সেনাবাহিনী রামু ১০ পদাতিক ডিভিশনের জিওসি মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আসাদুল্লাহ মিনহাজুল আলম ও বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের সভাপতি তাবিথ আউয়াল।
অনুষ্ঠানে সশস্ত্র বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের পাশাপাশি বেসামরিক প্রশাসনের কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন।
শুভেচ্ছা বক্তব্যে তাবিথ আউয়াল বলেন, সাফজয়ী নারী ফুটবলারদের সংবর্ধনার আনন্দঘন এই আয়োজন অনুপ্রেরণা যোগাবে। শুধু সাফ নয়, এএফসি কাপ জেতারও স্বপ্ন দেখছে নারী ফুটবলাররা।
সাফজয়ী নারী ফুটবল দলকে ১ কোটি টাকা অর্থ পুরস্কার দেয়া হয়েছে। দলের প্রত্যেক সদস্য পেয়েছেন ৪ লাখ টাকা করে। সঙ্গে টুর্নামেন্টে সেরা খেলোয়াড় ঋতুপর্ণা চাকমা এবং সেরা গোলকিপার রূপনা চাকমাকে ১ লাখ ৭৫ হাজার টাকা করে পুরস্কৃত করা হয়। কোচ ও কর্মকর্তাদের দেয়া হয় ৫০ হাজার টাকা করে পুরস্কার।
অনুষ্ঠানের দ্বিতীয় পর্বে গানের পরিবেশনা ছিল।








