রোববার এলচের বিপক্ষে ম্যাচ ছিল লা লিগা চ্যাম্পিয়ন বার্সেলোনার। এ ম্যাচের আগে স্প্যানিশ পুলিশ কর্তৃক ক্লাবের সমর্থকদের বিরুদ্ধে ‘অতিরিক্ত বলপ্রয়োগের’ তীব্র সমালোচনা করেছে কাতালুনিয়ান ক্লাবটি। বিবৃতি দিয়ে এর প্রতিবাদ জানিয়েছে ক্লাবটি।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে দেখা গেছে, এস্তেলাদা পতাকা বাজেয়াপ্ত করার পর এস্তাদিও মানুয়েল মার্টিনেজ ভালোরো স্টেডিয়ামের বাইরে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা সমর্থকদের লাঠি দিয়ে নির্মমভাবে পেটাচ্ছেন। এস্তেলাদা স্পেনের ১৭টি স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চলের একটি, কাতালোনিয়ার স্বাধীনতাকামী এক প্রতীকী পতাকা।
বিবৃতিতে সোমবার বার্সেলোনা জানিয়েছে,‘লিগ ম্যাচের আগে স্টেডিয়ামের আশপাশে ঘটে যাওয়া ঘটনায় সমর্থকদের ওপর অতিরিক্ত বলপ্রয়োগের তীব্র নিন্দা জানাচ্ছে বার্সা। বিশেষ করে, আমাদের এক সমর্থককে আটক করার ক্ষেত্রে অনুসৃত পদ্ধতিকে ক্লাব অসামঞ্জস্যপূর্ণ মনে করে এবং এই বলপ্রয়োগের কোনো প্রয়োজনীয় ব্যাখ্যা বা যৌক্তিকতা ছিল না।’
‘বার্সা আরও দুঃখ প্রকাশ করছে যে, আবারও পুলিশ কর্মকর্তারা সমর্থকদের কাছ থেকে এস্তেলাদা পতাকা বাজেয়াপ্ত করেছেন। এস্তেলাদা একটি আইনগতভাবে স্বীকৃত প্রতীক এবং এটি প্রদর্শন করা মত প্রকাশের স্বাধীনতার একটি বৈধ চর্চা। সুতরাং, এটিকে কোনোভাবেই ঘৃণা বা সহিংসতায় উসকানি হিসেবে বিবেচনা করা যায় না।’
কাতালোনিয়ার প্রধান স্বাধীনতাকামী বিরোধী দল ‘জুন্টস’-এর পক্ষ থেকেও রাজনৈতিকভাবে এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানানো হয়েছে। পুলিশ কর্তৃক বার্সা সমর্থকদের পেটানোর ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করে জুন্টসের নেতা কার্লেস পুইজদেমোন্ট লিখেছেন, ‘কাতালান পরিচয়ের প্রতি তাদের তীব্র ও পদ্ধতিগত বিদ্বেষ রয়েছে।’
‘উচ্চপর্যায়ের ব্যক্তিবর্গ থেকে শুরু করে ফুটবল খেলোয়াড়, এমনকি বিচারক ও সাংবাদিকদের মধ্যেও এই মানসিকতা ছড়িয়ে পড়েছে। একটি সুস্থ সমাজে এটি একেবারেই অসহনীয়। তবে স্পেনে এটিকে একটি গুণ হিসেবে গণ্য করা হয়।’
স্প্যানিশ কংগ্রেসে জুন্টসের নেত্রী মিরিয়াম নোগুয়েরাস যোগ করে বলেছেন, ‘এই পশুগুলোকে এর খেসারত দিতে হবে।’ কাতালান ক্লাবটি প্রয়োজনে এই বিষয়টিকে আরও দূর পর্যন্ত নিয়ে যাওয়ার হুমকিও দিয়েছে।









