লড়াই করে সিঙ্গাপুরের সাথেও পারল না বাংলাদেশ
ফিফা আসিয়ান কাপ ২০২৬

ফিফা আসিয়ান কাপে গ্রুপপর্বে দ্বিতীয় ম্যাচে সিঙ্গাপুরের বিপক্ষে বেশ লড়াইয়ের চেষ্টা করেছে বাংলাদেশ। আক্রমণাত্মক খেলার চেষ্টাও ছিল। কিন্তু ৯০ মিনিটে কোন গোল আদায় করে নিতে পারেনি জামাল ভূঁইয়ার দল। উল্টোদিকে সিঙ্গাপুর একমাত্র গোল তুলে ১-০তে জয়ে মাঠ ছেড়েছে। থমাস ডুলির শিষ্যরা প্রথম ম্যাচে মালয়েশিয়ার বিপক্ষে ৩-০ গোলে হারের পর এদিনও পেরে উঠল না। গ্রুপপর্বে বাকি এক ম্যাচ বাংলাদেশের, খেলবে ইন্দোনেশিয়ার বিপক্ষে।
ইন্দোনেশিয়ার জাকার্তা শহরে গেলোরা বুং কার্নো স্টেডিয়ামে ম্যাচের শুরু থেকে বল দখলে রেখেছিল বাংলাদেশ। প্রথমার্ধের ১৬ মিনিটে একটি সুযোগ ছিল এগিয়ে যাওয়ার। সিঙ্গাপুরের ডি-বক্সে ক্রস দেন শমিত, বল কাজে লাগানোর কেউ ছিলেন না কেউ।
ম্যাচের ১৭ মিনিটে উই-ইয়ং সংয়ের পাসে লক্ষ্য বরাবর শট নেয় ইলহান ফান্দি আহমাদ, সিঙ্গাপুরের সেই প্রচেষ্টা দুর্দান্তভাবে ঠেকিয়ে দেন বাংলাদেশ গোলরক্ষক মেহেদী হাসান শ্রাবণ। ১৯ মিনিটে শ্রাবণের ছুঁড়ে দেয়া একটি লং থ্রো থেকে প্রতিপক্ষের ডি-বক্সে বল নিয়ে ঢোকেন শুকি ইতোফুসা, সেখান থেকেও গোলের সুযোগ গড়তে পারেনি বাংলাদেশ।
ম্যাচের ৩৩ মিনিটে ফ্রি-কিক থেকে কিওগা নাকামুরার শট সরাসরি ঠেকিয়ে দেন শ্রাবণ। বল পান জ্যাকব উইলিয়াম, তার শট ব্লক করেন তারিক কাজী। ৩৫ মিনিটে হারিস স্টুয়ার্টের হেড প্রতিহত করতে পারেননি শ্রাবণ। ১-০তে এগিয়ে যায় সিঙ্গাপুর। এরপর ম্যাচে ফেরার চেষ্টা চালায় বাংলাদেশ, ১-০তে পিছিয়ে বিরতিতে যায় জামালের দল।
দ্বিতীয়ার্ধের শুরু থেকে আক্রমণে থাকে বাংলাদেশ। ৪৭ মিনিটে স্টুয়ার্টের বাইরে থেকে নেয়া শট ঠেকিয়ে দেন শ্রাবণ। ৬২ মিনিটে পরপর দুটি কর্নার পেলেও সুযোগ গড়তে পারেনি বাংলাদেশ। ৬৩ মিনিটে শমিতের আক্রমণ ঠেকিয়ে দেন সিঙ্গাপুরের ডিফেন্ডার।
ম্যাচের ৬৫ মিনিটে জামালের ক্রস থেকে আবারও বল পান শমিত, তার হেড পোস্টের অনেক উপর দিয়ে চলে যায়। ৮০ মিনিটে ফাহমিদুল ইসলামের ক্রস থেকে হেড করেন রাকিব। সেটা আটকান স্টুয়ার্ট। শেষদিকে একের পর এক বাংলাদেশের চেষ্টা রুখে দেয় সিঙ্গাপুরের রক্ষণ। শেষে ওই এক গোলই হয়ে ওঠে বাংলাদেশের গলার কাঁটা ও সিঙ্গাপুরের জয়ের নায়ক।
টানা দুই হারে বাংলাদেশ টেবিলে তলানিতে আছে। একটি করে জয়ে তিন পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে মালয়েশিয়া, দুইয়ে ইন্দোনেশিয়া, তিনে সিঙ্গাপুর।






