বাংলাদেশের জার্সিতে অভিষেক, স্বপ্নপূরণে খুশি সুখি

ছোটবেলা থেকেই স্বপ্ন ছিল বাংলাদেশের জাতীয় দলের জার্সি গায়ে মাঠে নামার। সেই স্বপ্ন অবশেষে পূরণ হয়েছে শুক্রবার ফিফা আসিয়ান কাপে মালয়েশিয়ার বিপক্ষে ম্যাচে। জাতীয় দলের হয়ে অভিষেকের আনন্দে উচ্ছ্বসিত সুখি ইতোফুসা। তবে অভিষেক ম্যাচের পারফরম্যান্সে পুরোপুরি সন্তুষ্ট নন তিনি। নিজের ফিটনেস ও কন্ডিশন আরও উন্নত করার পাশাপাশি গোল কিংবা অ্যাসিস্টে দলের জন্য বেশি অবদান রাখতে চান এই তরুণ ফুটবলার।
শনিবার বাফুফের পাঠানো ভিডিও বার্তায় জাতীয় দলের হয়ে প্রথম ম্যাচ খেলার অনুভূতি জানান সুখি। বলেছেন, ‘ছোটবেলা থেকেই জাতীয় দলের জার্সি পরা এবং সেই জার্সিতে মাঠে খেলা আমার স্বপ্ন ছিল। সেই স্বপ্ন বাস্তবে পরিণত করতে পেরে আমি খুবই আনন্দিত। আমি আসলে কখনো এভাবে ভাবিনি, যে আমার অভিষেক হয়ে যাবে গতকাল। তবে আমি প্রস্তুত ছিলাম দেশের জন্য লড়তে।’
জাপানে বেড়ে ওঠা সুখি পরিবারের অন্য সদস্যদের সঙ্গে মূলত জাপানিজ ভাষাতেই কথা বলেন তিনি। জাতীয় দলে এসে তাই ভাষার বিষয়টি তার জন্য নতুন এক চ্যালেঞ্জ। সতীর্থদের কেউ জাপানিজ ভাষা না জানলেও যোগাযোগে বড় কোনো সমস্যা হচ্ছে না বলে জানিয়েছেন সুখি। ইংরেজি এবং সহজ কিছু ইশারা-ইঙ্গিতের মাধ্যমে সতীর্থদের সঙ্গে যোগাযোগ করছেন তিনি। দলের কয়েকজন আবার আলাদাভাবে তার খোঁজখবরও রাখছেন।
বলেছেন, ‘এখন আমি মোটামুটি একটা পর্যায় পর্যন্ত তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারছি। সময়টা খুব উপভোগও করছি, কোনো সমস্যা হচ্ছে না।’
পরিবার থেকে দূরে থাকার প্রসঙ্গে সুখি বলেন, ‘এটা একজন ফুটবলার হিসেবে আমার স্বপ্ন, আবার এটা আমার পরিবারেরও স্বপ্ন। পরিবার থেকে দূরে থেকে আমি যদি সফল হতে পারি, তাহলে সেটা আমার পরিবার এবং আরও অনেক মানুষের জন্য আনন্দ বয়ে আনে। তাই আমি মনে করি, পরিবার থেকে দূরে থাকাটা কোনো সমস্যা নয়।’







