টসে জিতে ফিল্ডিংয়ে নামা বাংলাদেশ প্রথম ওভারেই প্রতিপক্ষের দুই উইকেট তুলে দারুণ সূচনা পেয়েছিল। এরপর টম ল্যাথামের ক্যাচ দুইবার ফেলে দেয়ার মাশুল সফরকারীদের দিতে হয়েছে। ওপেনার উইল ইয়াংয়ের সেঞ্চুরি ও ল্যাথামের ফিফটিতে লাল-সবুজের দলকে ৩০ ওভারে নেমে আসা ম্যাচে বৃষ্টি আইনে ২৪৫ রানের বড় লক্ষ্য দিয়েছে নিউজিল্যান্ড।
ডানেডিনে শনিবার টস জিতে আগে বোলিং করার সিদ্ধান্ত নেন বাংলাদেশ অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত। এরপর বৃষ্টির কারণে খেলা শুরু হতে এক ঘণ্টা ১০ মিনিট বিলম্ব হয়। তখন ম্যাচের দীর্ঘ ৪ ওভার কমেছিল।
প্রথম ওভারের চতুর্থ বলে রানের খাতা না খুলে মুশফিকুর রহিমের গ্লাভসে ধরা পড়ে রাচীন রবীন্দ্র সাজঘরে ফেরেন। শেষ বলে দ্বিতীয় স্লিপে এনামুল হক বিজয়ের হাতে ধরা পড়ে শূন্য রানে ফেরেন হেনরি নিকোলস।
দশম ওভারের প্রথম বলে জীবন পান ব্যক্তিগত ১৮ রানে থাকা ল্যাথাম। কিউই অধিনায়ক মোস্তাফিজুর রহমানের বলে প্রথম স্লিপে ক্যাচ দিলেও তা ধরতে পারেননি সৌম্য সরকার।
স্বাগতিকদের স্কোর যখন ১৩.৫ ওভারে ২ উইকেটে ৬৩, তখন দ্বিতীয়বার বৃষ্টির বাধার মুখে পড়ে খেলা। ৪৫ মিনিট পর খেলা আবারো শুরু হয়। ততক্ষণে ম্যাচ ৪০ ওভারে নেমে আসে।
হাসান মাহমুদের করা ১৯তম ওভারের প্রথম বলে দুই রান নিয়ে ল্যাথাম ওয়ানডে ক্যারিয়ারে ৪ হাজার রান পূর্ণ করেন। দ্বিতীয় বলেও নেন দুই রান। এরপরই আবারো নামে বৃষ্টি। তখন কিউইদের স্কোর ছিল ১৯.২ ওভারে ২ উইকেটে ১০৮ রান।
তৃতীয় দফায় বৃষ্টি বাগড়া দেয়ার পর ৩০ ওভারে নেমে আসে ম্যাচ। বাইশ গজে দ্রুত রান তুলতে থাকেন ল্যাথাম ও ইয়াং। ২৩তম ওভারে আবারো ব্যক্তিগত ৬৮ রানে জীবন পান ল্যাথাম । নিজের বলে ফিরতি ক্যাচ ফেলে দেন সৌম্য।
সেঞ্চুরির দুয়ারে যাওয়া ল্যাথাম নার্ভাস নাইন্টিজে কাটা পড়েন। ৭৭ বলে ৯ চার ও ৩ ছক্কায় ৯২ রান করে মেহেদী হাসান মিরাজের বলে বোল্ড হন। ভেঙে যায় তৃতীয় উইকেটে ১৭১ রানের জুটি। ১১ বলে ২০ রান করে মার্ক চ্যাপম্যান রান আউট হওয়ার পর শতক হাঁকান ইয়াং। ৮৪ বলে ১৪ চার ও ৪ ছক্কায় ১০৫ রানের ইনিংস খেলেন।
শেষদিকে টম ব্লান্ডেল ও অভিষিক্ত জশ ক্লার্কসনও হন রান আউট। নিউজিল্যান্ডের ইনিংস ৭ উইকেটে ২৩৯ রানে থামে। বৃষ্টি আইনে টাইগারদের লক্ষ্য দাঁড়ায় ২৪৫ রান।
বাংলাদেশের পক্ষে ৬ ওভারে ২৮ রান দিয়ে ২ উইকেট নেন শরিফুল। মিরাজ একটি উইকেট পেলেও ছিলেন খরুচে, ৫ ওভারে দেন ৫৩ রান।








