কাতার বিশ্বকাপের পর থেকে আর্জেন্টিনা-ফ্রান্স ম্যাচ মানেই আলাদা উত্তেজনা ও উত্তাপ। সাম্প্রতিক সময়ে নানা ঘটনায় দুদলের খেলোয়াড়দের মধ্যে জমে থাকা ক্ষোভ ছড়ায় সমর্থকদের মধ্যেও। কোয়ার্টার ফাইনালে আর্জেন্টিনাকে পেয়ে জাতীয় সঙ্গীত বাজার পর থেকে দুয়ো দিতে থাকেন ফ্রান্সের সমর্থকেরা। ম্যাচে আধিপত্য দেখালেও জিততে পারেনি বিশ্বজয়ী দল। শেষপর্যন্ত সেই উত্তাপ রূপ নেয় সংঘর্ষ ও হাতাহাতিতে।
মাতমুট আটলান্টিক স্টেডিয়ামে আর্জেন্টিনাকে ১-০ ব্যবধানে হারায় ফ্রান্স। ফরাসিদের হয়ে একমাত্র গোলটি করেন ইয়ান ফিলিপে মাতেতা। গোল উদযাপন নিয়েও এক চোট হয় দুদলের মধ্যে। আর্জেন্টিনার খেলোয়াড়দের অভিযোগ, স্টেডিয়ামের যে প্রান্তে তাঁদের পরিবারের সদস্যরা ছিলেন, সেখানে গিয়ে উদযাপন করেছে ফ্রান্স।
ম্যাচ শেষে আর্জেন্টাইন সাংবাদিক গাস্তন এদুলের সঙ্গে আলাপকালে এ নিয়ে ক্ষোভ ঝেড়েছেন নিকোলাস ওটামেন্ডি। আর্জেন্টিনার এ অভিজ্ঞ ডিফেন্ডার বলেছেন, ‘আমাদের পরিবারের সদস্যদের মুখের সামনে গিয়ে ওরা উদযাপন করেছে। আমি ভীষণ রাগান্বিত।’
ম্যাচ শেষে ফ্রান্সের উদ্যাপনের সময় ফরাসি মিডফিল্ডার এনজো মিলোট আর্জেন্টিনার বেঞ্চকে লক্ষ্য করে চিৎকার ও অশ্লীল অঙ্গভঙ্গি করেছেন, দাবি আর্জেন্টিনার খেলোয়াড়দের। এমন আচরণ তাতিয়ে দেয় আর্জেন্টিনার খেলোয়াড়দেরও।
এরপরই শুরু হয় কুৎসিত এক সংঘাতের। খেলোয়াড়দের পাশাপাশি কোচ-কর্মকর্তারাও জড়িয়ে পড়েন। এরপর মাঠের বাইরে টানেলেও দেখা যায় বিশৃঙ্খলা। পরে অবশ্য ফ্রান্সের খেলোয়াড়রা মাঠে ফিরে এসে দর্শকদের সঙ্গে উদ্যাপন সারেন।
খেলোয়াড়দের সংঘর্ষের সময় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে দর্শকদের মধ্যেও। তবে পুলিশের সতর্ক অবস্থানের কারণে পরিস্থিতি আর মাত্রা ছাড়ায়নি।









