ফারুকী-তিশার ইমোশনাল জার্নি, তারকাদেরও মুগ্ধ করেছে

প্রথমবারের মতো অভিনেতা হিসেবে হাজির হলেন জনপ্রিয় নির্মাতা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী। সিনেমার নাম ‘সামথিং লাইক অ্যান অটোবায়োগ্রাফি’, তার অভিনীত ও পরিচালিত সিনেমাটি স্ট্রিমিং হচ্ছে চরকি-তে। যেখানে তার বিপরীতে অভিনয় করেছেন স্ত্রী ও গুণী অভিনেত্রী নুসরাত ইমরোজ তিশা!

তারআগে বৃহস্পতিবার (৩০ নভেম্বর) সন্ধ্যায় ফারুকী-তিশার ‘সামথিং লাইক অ্যান অটোবায়োগ্রাফি’র প্রিমিয়ার অনুষ্ঠিত হয় রাজধানীর এসকেএস টাউয়ারের সিনেপ্লেক্সে। সেখানে হাজির হয়েছিলেন শোবিজ অঙ্গনের বহু পরিচিত মানুষেরা। যাদের অনেকে সিনেমাটি দেখে আবেগাপ্লুত হয়েছেন। প্রিমিয়ার শেষে ভেজা চোখে বেরিয়ে আসেন কথা সাহিত্যিক আনিসুল হক!

তিনি বলেন, ফারুকী তিশাকে দীর্ঘদিন ধরে চিনি এটা অনুভব করছি না। কাজটি দেখে অনুভব করছি আমার নিজেরও একটি মেয়ে আছে। আমার অতীতের অনেককিছু মনে পড়ে যাচ্ছে। আমি নিজের সঙ্গে রিলেট করতে পেরে কেঁদে ফেলেছি। আমাদের এত চমৎকার কাজ হচ্ছে এজন্য প্রাউড ফিল করছি।

মজা করে চঞ্চল চৌধুরী বলেন, ফারুকী ভাইয়ের সঙ্গে অভিনয় দিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে হবে। তিনি বলেন, তাদের জীবনে অনেক স্ট্রাগল আছে এটা অনেকেই জানে না। যেই ইমোশনাল সত্যি আমাদের স্পর্শ করেছে। চঞ্চল আরও বলেন, আমরা যারা শোবিজে কাজ করছি আমাদের ব্যক্তিগত অনেককিছু এই মাধ্যমের কাজগুলোকে ছাড়িয়ে যাওয়ার মতো যা দর্শক জানে না। আমাদের অনেক কষ্ট বেদনা নিজেরা নিজের মধ্যে হজম করি।

“তারপরও হাসিমুখে সাধারণ দর্শকদের বিনোদন দেয়ার জন্য কাজ করে যাই। ‘সামথিং লাইক অ্যান অটোবায়োগ্রাফি’ দেখতে দেখতে বহুবার আমার চোখে পানি এসেছে। আমি শুধু এটিকে ফিল্ম হিসেবে নয়, আমার জীবনের গল্প মনে করেছি। অনেক গল্প দর্শকদের ভালো কাজে প্রভাবিত করার সুযোগ দেয়। আমি বিশ্বাস করি ‘সামথিং লাইক অ্যান অটোবায়োগ্রাফি’ তেমনই একটি কাজ। যা ফারুকী তিশা নয়, আমাদের সবার জীবনের অংশ।”

মেহজাবীন বলেন, শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত শুধু মুগ্ধ হয়ে দেখছি। প্রত্যেকে এতো চমৎকার অভিনয় করেছেন যা আসলে বলতে গেলে ‘মোর দ্যান অ্যাক্টিং’।

সাবিলা নূর বলেন, ছোটবেলা থেকে তিশা আপুর অনেক বড় ফ্যান আমি। তবে ফারুকী ভাইয়ের অভিনয় দেখে আজ থেকে তার অভিনয়ের ফ্যান হয়ে গেলাম। এই কাজটিতে এতোগুলো ইস্যু তুলে আনা হয়েছে এতো চমৎকারভাবে প্রেজেন্ট করা হয়েছে এজন্য তাদের সেলুট জানাই।

তাসনিয়া ফারিণ বলেন, শুরু থেকে দেখে যেমন মজা পাচ্ছিলাম শেষের দিকে বাস্তবতায় মুখোমুখি করেছে। এটি যেমন উপভোগ্য তেমন শিক্ষণীয় কাজ। আসলে কারো সম্পর্কে মন চাইলেই একটি মন্তব্য করার আগে আমরা কতটুকু বাস্তবতাকে জেনেবুঝে মন্তব্য করি? সবমিলিয়ে কাজটি উপভোগ্য।

নাদিয়া আহমেদ বলেন, ফারুকী তিশা জুটি আমাদের কাছে ইমোশন। তাদের জার্নিটাও ইমোশনের। তিশা যেমন বরাবরই ভালো অভিনেত্রী অভিনেতা হিসেবে ফারুকী ভাই প্রতিটি দৃশ্যে শতভাগ পরিণত অভিনেতা হিসেবে এক্সপ্রেশন দিয়েছেন। কাজটি আমাকে ব্যক্তিগভাবে ভীষণ স্পর্শ করেছে।

ফারুকী-তিশা ছাড়াও এই ওয়েব ফিল্মটি অভিনয় করেছেন ইরেশ যাকের, শরাফ আহমেদ জীবন। প্রিমিয়ার শেষে ফারুকী জানান, তিনি অভিনেতা নন। তাই অভিনয়ের কথা শুনলেই তার জ্বর চলে যায়। ভবিষ্যতে ফারুকী অভিনয় করবে কিনা জানতে চাইলে তিশা বলেন, না সে শুধু আমার পার্সোনাল হিরো।

ইরেশ যাকেরচরকিনুসরাত ইমরোজ তিশামোস্তফা সরয়ার ফারুকীলিড বিনোদনশরাফ আহমেদ জীবনসামথিং লাইক অ্যান অটোবায়োগ্রাফিসিনেমা