দেশের বাজারে প্রথমবারের মতো এয়ার কন্ডিশনার (এসি) নিয়ে এসেছে বৈশ্বিক স্মার্ট লাইফস্টাইল ব্র্যান্ড আইটেল। বাংলাদেশের আবহাওয়া, বিদ্যুৎ পরিস্থিতি, গ্রাহকদের চাহিদা ও ক্রয়ক্ষমতা বিবেচনায় দেশে তৈরি করা হয়েছে নতুন এই ডিসি ইনভার্টার এসি।
মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) আইটেল জানায়, নতুন এই এসির মাধ্যমে স্মার্টফোন ও স্মার্ট ডিভাইসের পাশাপাশি কনজ্যুমার ইলেকট্রনিকস ব্যবসায়ও প্রবেশ করেছে প্রতিষ্ঠানটি।
আইটেলের দাবি, ডিসি ইনভার্টার প্রযুক্তির কারণে এসিটি প্রয়োজন অনুযায়ী স্বয়ংক্রিয়ভাবে কম্প্রেসরের গতি নিয়ন্ত্রণ করতে পারে। ফলে কম্প্রেসর বারবার চালু ও বন্ধ হওয়ার প্রয়োজন হয় না এবং এতে বিদ্যুৎ খরচ সর্বোচ্চ ৭০ শতাংশ পর্যন্ত সাশ্রয় হতে পারে। এই প্রযুক্তির মাধ্যমে ঘরের তাপমাত্রা ধারাবাহিকভাবে নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব হবে। পাশাপাশি কম্প্রেসরের ওপর অতিরিক্ত চাপ কমিয়ে এর স্থায়িত্ব বাড়াতেও এটি সহায়তা করবে। এসিটিতে রয়েছে ১২ বছরের কম্প্রেসর ওয়ারেন্টি, পাঁচ বছরের স্পেয়ার পার্টস ওয়ারেন্টি এবং পাঁচ বছরের বিনা মূল্যের সার্ভিস সুবিধা।
আইটেলের ওভারসিজ জেনারেল ম্যানেজার ডনসিয়ন বলেন, বাংলাদেশের আবহাওয়া, বিদ্যুৎ পরিস্থিতি ও গ্রাহকদের চাহিদা বিবেচনায় রেখেই এসিটি তৈরি করা হয়েছে। এর মাধ্যমে আরও বেশি পরিবারকে সাশ্রয়ী মূল্যে নির্ভরযোগ্য ও বিদ্যুৎ-সাশ্রয়ী এয়ার কন্ডিশনিং সুবিধা দেওয়ার লক্ষ্য রয়েছে। তিনি বলেন, বাংলাদেশ আইটেলের গুরুত্বপূর্ণ কৌশলগত বাজারগুলোর একটি। দীর্ঘদিনের বাজার উপস্থিতির ধারাবাহিকতায় দেশে কনজ্যুমার ইলেকট্রনিকস ব্যবসা সম্প্রসারণ করতে পেরে তারা আনন্দিত। নতুন এসিটিতে রয়েছে ‘ট্রিপল ভোল্টেজ কেয়ার’ প্রযুক্তি। এর ফলে বিদ্যুতের ভোল্টেজ কমে বা বেড়ে গেলে কিংবা হঠাৎ ওঠানামা করলেও এসির কার্যক্রম সচল থাকার পাশাপাশি অভ্যন্তরীণ বৈদ্যুতিক যন্ত্রাংশ সুরক্ষিত রাখতে সহায়তা করবে প্রযুক্তিটি।
আইটেলের অনুমোদিত ব্র্যান্ড আউটলেট ও জাতীয় পর্যায়ের অংশীদার রিটেইল চ্যানেলে ইতোমধ্যে এসিটির প্রি-বুকিং শুরু হয়েছে। আগস্টের শেষ দিকে এটি বাজারে আসবে বলে জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।
বিক্রয়োত্তর সেবা নিশ্চিত করতে কার্লকেয়ারের সঙ্গে অংশীদারিত্ব করেছে আইটেল। এর আওতায় দেশজুড়ে ৭০০টির বেশি সার্ভিস সেন্টারের মাধ্যমে এসি ইনস্টলেশন, রক্ষণাবেক্ষণ ও কারিগরি সহায়তা দেওয়া হবে। বাংলাদেশে ট্রানশন হোল্ডিংসের আওতাধীন ব্র্যান্ড আইটেল বর্তমানে বিশ্বের ৭০টির বেশি উদীয়মান বাজারে কার্যক্রম পরিচালনা করছে। স্মার্টফোন, ফিচার ফোন, অ্যাকসেসরিজ ও স্মার্ট ডিভাইসের মাধ্যমে বাংলাদেশে ইতোমধ্যে শক্তিশালী গ্রাহকভিত্তি তৈরি করেছে প্রতিষ্ঠানটি।
ভবিষ্যতে আরও বিভিন্ন ধরনের হোম অ্যাপ্লায়েন্স যুক্ত করে কনজ্যুমার ইলেকট্রনিকস পণ্যের পরিধি বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে আইটেলের।








