সাউথ আফ্রিকাকে হারিয়ে প্রথমবার মেয়েদের ওয়ানডে বিশ্বকাপ শিরোপা জিতেছে ভারত। স্বাগতিকদের দেয়া ২৯৯ রানের লক্ষ্যে একপ্রান্ত আগলে রেখে একাই লড়ছিলেন প্রোটিয়া অধিনায়ক লরা উলভার্ট। সেঞ্চুরি করে ভারতের জয়যাত্রাকে কঠিন করে তুলেছিলেন। তবে আমানজোত কৌরের দুর্দান্ত ক্যাচে ১০১ রানে উলভার্টকে থামায় হারমানপ্রীত কৌরের দল। সেখানে ঘুরে যায় ম্যাচের গতি। ৫২ রানে প্রোটিয়াদের হারায় ভারত। সেই আমানজোত জানতেন না, তার দাদী পাঞ্জা লড়ছেন মৃত্যুর সঙ্গে।
বিশ্বকাপ চলাকালীন হার্ট অ্যাটাকে করেন আমানজোত কৌরের দাদি ভগতী দেবী। আমানজোতের খেলায় না যাতে ব্যাঘাত না ঘটে, তাই বিষয়টিট এই অলরাউন্ডারের কাছ থেকে গোপন রেখেছিল পরিবার।
বিশ্বকাপ জয়ের পর আমানজোতের বাবা ভূপিন্দর সিং সাক্ষাৎকার দিয়েছেন ভারতের একটি সংবাদমাধ্যমে। সেখানে জানান বিষয়টি। বলেছেন, ‘আমার মা ভগতী দেবী ছোটবেলা থেকেই আমানজোতের বড় সমর্থক। আমি যখন কাঠের দোকানে কাজ করতাম, তখন মা বসে থাকতেন মাঠে বা পার্কে, যেখানে মেয়েটা ছেলেদের সঙ্গে ক্রিকেট খেলত। গত মাসে মা হার্ট অ্যাটাক করেন, কিন্তু আমরা আমানজোতকে কিছু জানাইনি। হাসপাতালেই দিন কাটিয়েছি। এখন ভারতের বিশ্বকাপ জয় যেন আমাদের সব কষ্টের ওষুধ।’
উলভার্টের ক্যাচটি জীবনের সবচেয়ে বড় মুহূর্ত ছিল বলে জানিয়েছেন আমানজোত। ম্যাচ শেষে কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেছিলেন, ‘ওই ক্যাচটা জীবনের সবচেয়ে বড় মুহূর্ত ছিল। দ্বিতীয় সুযোগটা কাজে লাগাতে পেরে খুশি। আমরা ইতিহাস গড়েছি, এটা কেবল শুরু, ভারতীয় নারী ক্রিকেট আরও অনেক দূর যাবে।’
বিশ্বকাপে ৭ ম্যাচ খেলেছেন আমানজোত। ব্যাট ৩৬.৫০ গড়ে করেছেন ১৪৬ রান, ছিল একটি ফিফটি। বল হাতে ৬.৫৪ ইকোনোমিতে নিয়েছেন ৬ উইকেট।








