কক্সবাজারের টেকনাফে খেলাধুলা করতে গিয়ে নিখোঁজের ৯ ঘণ্টা পর এক কন্যা শিশুর বস্তাবন্দি লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। তবে মৃতের গলায় আঘাতের ধরণ দেখে পুলিশ ধারণা করছে, শিশুটিকে শ্বাসরোধ করে মৃত্যু নিশ্চিতের পর লাশ বস্তাবন্দি করে ফেলে দিয়েছে হত্যাকারীরা।
শনিবার (২১ সেপ্টেম্বর) রাত ৯টায় টেকনাফ উপজেলার সাবরাং ইউনিয়নের ডাঙ্গুর পাড়া থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয় বলে জানান টেকনাফ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন।
মৃত উদ্ধার তাহমিনা আক্তার (৭) একই এলাকার আব্দুল জলিলের মেয়ে। সে স্থানীয় একটি নূরাণী মাদ্রাসার প্রথম শ্রেণী ছাত্রী ছিল।
মৃতের স্বজন ও স্থানীয়দের বরাতে গিয়াস উদ্দিন বলেন, প্রতিদিনের মতো শনিবার সকালে তাহমিনা আক্তার স্থানীয় মাদ্রাসায় পড়তে যায়। বেলা ১১টায় মাদ্রাসার ক্লাস শেষে বাড়ি ফিরে আসে। পরে বাড়ী থেকে প্রতিবেশী অন্য শিশুদের সঙ্গে খেলাধুলা করতে বের হয়। দুপুরের পরও তাহমিনা বাড়ি না ফেরায় স্বজনরা সম্ভাব্য বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি শুরু করে। পরে সন্ধান না পাওয়ায় গাড়িযোগে মাইকিং করে প্রচারণা চালায়।
ওসি বলেন, একপর্যায়ে রাত ৯টায় শাহপরীরদ্বীপের ডাঙ্গর পাড়ায় রাস্তার পাশে স্থানীয়রা সন্দেহজনক একটি বস্তা পড়ে থাকতে দেখেন। পরে তারা বস্তাটি খুলে একজন মেয়ে শিশুর লাশ দেখতে পেয়ে পুলিশকে খবর দেয়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে লাশটি উদ্ধার করে। লাশের গলায় আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। শরীরের অন্য কোথাও আঘাতের চিহ্ন না থাকায় পুলিশের ধারণা শিশুটিকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করেছে।
লাশ ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে বলেও জানান তিনি।







