চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ
Partex Cable

‘আসা যাওয়ার মাঝে’ নির্মাতার নতুন ছবি ভেনিসে

৭৮তম ভেনিস আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে বিক্রম আদিত্যের তৃতীয় ছবি ‘ওয়ান্স আপন এ টাইম ইন কলকাতা’

Nagod
Bkash July

কলকাতার মেধাবী নির্মাতা বিক্রম আদিত্য সেন। একে একে নির্মাণ করেছেন ‘আসা যাওয়ার মাঝে’ এবং ‘জোনাকি’ নামে দুটি পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র। দুটি ছবিই বাংলা ভাষাভাষি মানুষের কাছে পেয়েছে দারুণ গ্রহণযোগ্যতা। এবার তৃতীয় ছবির ঘোষণা দিলেন নির্মাতা, সেই সঙ্গে জানালেন আরো একটি চমকপ্রদ খবর!

Reneta June

বিক্রম আদিত্যের তৃতীয় ছবির নাম ‘ওয়ান্স আপন এ টাইম ইন কলকাতা’। যার ওয়ার্ল্ড প্রিমিয়ার হবে আসন্ন ৭৮তম ভেনিস আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে। গৌরবময় ও প্রাচীন এই চলচ্চিত্র উৎসবে ভারতের একমাত্র সিনেমা হিসেবে প্রতিযোগিতা বিভাগে নির্বাচিত হয়েছে সিনেমাটি।

ভারতের সিনেমা হলেও এতে পর্দার সামনে ও পেছনে কাজ করেছেন বাংলাদেশের একাধিক ব্যক্তি। এরমধ্যে পর্দার সামনে দেখা যাবে ‘মেড ইন বাংলাদেশ’ খ্যাত অভিনেত্রী রিকিতা নন্দীনি শিমুকে, এবং শিল্প নির্দেশনায় কাজ করেছেন ‘তাকদীর’ এর শিল্প নির্দেশক সাদ্দাম খন্দকার জয়।

চ্যানেল আই অনলাইনকে জয় জানান, ২০১৮ সালে ‘ওয়ান্স আপন এ টাইম ইন কলকাতা’র প্রি-প্রোডাকশনে যুক্ত হই, সে বছরের শেষ দিকে কলকাতা ও এর আশপাশে সিনেমাটির শুটিং শুরু হয়। দারুণ একটা টিমের সাথে কাজের অভিজ্ঞতাও দুর্দান্ত।

তিলোত্তমা শহর কলকাতাকে নিয়ে বিক্রম আদিত্য’র নতুন এই সিনেমার গল্প। শহরে হারিয়ে যাওয়া সেই প্রিয় বিষয়গুলো খোঁজার চেষ্টায় নাকি দেখানো হয়েছে সিনেমায়। ছবির গল্পেও তার চরিত্র ইলাও ঠিক তার পুরনো শহরটিকে খুঁজছে, তার ছোটবেলাকে খুঁজছে। পুরনো শহরটাকে খোঁজার তাগিদ এল কীভাবে?

নির্মাতা বিক্রম আদিত্য

কলকাতার গণমাধ্যমে দেয়া সাক্ষাৎকারে বিক্রম আদিত্য বলেন, ফিল্মের ধারণার জীবাণুটি আমার কাছে এসেছিল যখন আমি প্রথম দেখেছিলাম যে প্রায় পাঁচ বছর আগে আইকনিক সায়েন্স সিটি ডাইনোসরটির উপরে ফ্লাইওভারটি নির্মাণ করা হচ্ছিল।

এক বিবৃতিতে আদিত্য জানিয়েছেন, এই ফিল্মটি কলকাতা শহর এবং এর জনগণের জন্য ব্যক্তিগত অনুভূতি এবং আবেগের সমাপ্তি। বিশেষত এটি দ্রুত পরিবর্তিত বিশ্বের দিকে নজর দেওয়ার চেষ্টা করে। সত্যিকারের চরিত্র এবং বাস্তব ঘটনাবলী যা আমার অতীতের ‘কমিউনিস্ট’ শহরের বিভিন্ন স্তরকে দেখানো হয়েছে, যা হয়তো কিছু মাত্রায় বেদনাদায়ক, কিন্তু তবুও তাতে আশা এবং আনন্দ ছিল। ফিল্মটি বিস্তৃত মহানগরীতে শ্বাস নিতে-নিতে হাঁপাতে থাকা মানুষের আকাঙ্ক্ষা ও সংগ্রামকে তুলে ধরে।

বিক্রম আদিত্যের দ্বিতীয় সিনেমা ‘জোনাকি’র একটি দৃশ্য

ছবিতে বাংলাদেশের শিমু ছাড়াও অভিনয় করেছেন শ্রীলেখা মিত্র, ব্রাত্য বসু, সত্রাজিৎ সরকার, অরিন্দম ঘোষ, অনির্বাণ চক্রবর্তী এবং নবাগত শায়ক রায় প্রমুখ।

ছবিটির চিত্রগ্রহণে ছিলেন পাম ডি’অর বিজয়ী গোখান তিরিয়াকি এবং সংগীতায়োজন করেছেন ডাচ সুরকার মিনকো এগার্সম্যান।

BSH
Bellow Post-Green View