আন্তর্জাতিক

ভারতে মা ও যমজ নবজাতকদের হত্যার ১৯ বছর পর গ্রেপ্তার ২ সেনাসদস্য

জেলখানার দরজায় হাতকড়া ও জেলখানা বার্তা. Channel i News - চ্যানেল আই নিউজ

জেলখানার দরজায় হাতকড়া ও জেলখানার পরিবেশের ছবি।. Channel i News – চ্যানেল আই নিউজ

অডিও সংবাদএই খবরটি পডকাস্টে শুনুন

ভারতের কেরালার কোল্লাম জেলার আঞ্চলে ২৪ বছর বয়সী এক নারী এবং তার ১৭ দিন বয়সী যমজ কন্যাশিশুকে হত্যার অভিযোগে দুই সাবেক সেনাসদস্যকে ১৯ বছর পর গ্রেপ্তার করেছে করেছে সিবিআই। পিতৃত্ব পরীক্ষার ভয় থেকে এই হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয় বলে জানা গেছে।

এনডিটিভি জানিয়েছে, ২০০৬ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি ২৪ বছর বয়সী রঞ্জিনী এবং তার যমজ কন্যাশিশুকে তাদের ভাড়া বাড়িতে হত্যা করা হয়।

তদন্তে জানা যায়, আনচালের বাসিন্দা দিবিল কুমার বি (২৮) ভারতীয় সেনাবাহিনীর ৪৫ এডি রেজিমেন্টে পাঠানকোটে কর্মরত ছিলেন। রঞ্জিনীর সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক ছিল তার। ২০০৬ সালের ২৪ জানুয়ারি যমজদের জন্মের পর রঞ্জিনীর সঙ্গে দূরত্ব তৈরি হয় কুমারের।

রঞ্জিনী এরপর কেরালা স্টেট উইমেন্স কমিশনে অভিযোগ করেন যেখানে যমজদের পিতৃত্ব নির্ধারণের জন্য একটি পরীক্ষা করার নির্দেশ দেয়া হয়। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে কুমার হত্যার পরিকল্পনা করেন। হত্যাকাণ্ডে কুমারকে সহায়তা করেন একই রেজিমেন্টের রাজেশ পি (৩৩)।

হত্যাকাণ্ডের পর কুমার ও রাজেশ পলাতক ছিলেন এবং সেনাবাহিনী ২০০৬ সালের মার্চে তাদের “পলাতক” ঘোষণা করে। স্থানীয় পুলিশ ব্যাপক অনুসন্ধান চালায় এবং তাদের ধরিয়ে দেওয়ার জন্য ২ লাখ টাকার পুরস্কার ঘোষণা করে। ২০১০ সালে মামলাটি সিবিআইয়ের হাতে তুলে দেওয়া হয়, কিন্তু তদন্তে অগ্রগতি হয়নি।

দীর্ঘ অনুসন্ধানের পর, সিবিআই খবর পায় যে কুমার ও রাজেশ পুদুচেরিতে ভুয়া পরিচয়ে বসবাস করছেন। তারা নতুন নথি, যেমন আধার কার্ড তৈরি করে নিয়েছিলেন। তারা দুই শিক্ষিকাকে বিয়ে করেন এবং সন্তানও জন্ম দেন।

সিবিআইয়ের চেন্নাই ইউনিট নজরদারি চালিয়ে শুক্রবার তাদের গ্রেপ্তার করে এবং কোচিতে নিয়ে আসে। শনিবার, তাদেরকে এরনাকুলাম চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কোর্টে হাজির করা হয়। তাদেরকে ১৮ জানুয়ারি পর্যন্ত পুলিশ হেফাজতে পাঠানো হয়েছে।

বিষয়:গ্রেপ্তার নবজাতক সেনাসদস্য

আরও পড়ুন

পরবর্তী সংবাদ প্রস্তুত হচ্ছে…