মন্টেনেগ্রোর ক্লাব এফকে আর্সেনাল তিভাতের বিপক্ষে ম্যাচ পাতানোর অভিযোগে তদন্ত করেছে উয়েফা। বুধবার তদন্ত শেষে ক্লাবটির ম্যাচ পাতানোর সত্যতা খুঁজে পেয়েছে। তাতে ১০ বছরের জন্য সবধরনের ইউরোপিয়ান প্রতিযোগিতা থেকে নিষিদ্ধ করেছে ক্লাবটিকে। সাথে একজন ফুটবলার ও একজন কর্মকর্তাকে আজীবন নিষিদ্ধ করেছে উয়েফা।
শুধু নিষিদ্ধ করেই থামেনি উয়েফা। ক্লাবটিকে ম্যাচ পাতানোর শাস্তি হিসেবে জরিমানা করেছে ৫ লাখ ইউরো। সাথে ইউরোপিয়ান প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের জন্য অপেক্ষা করতে হবে ২০৩৪-৩৫ মৌসুম অবধি। তদন্ত শেষে উয়েফার ডিসিপ্লিনারি কর্তৃপক্ষ সিইডিবি শাস্তি ঘোষণা করেছে।
উয়েফার আর্সেনালের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু হয় ২০২৩ সালের জুলাইয়ে, কনফারেন্স লিগের কোয়ালিফায়ারের একটি ম্যাচ ঘিরে। আর্মেনিয়ার ক্লাব আলাশকার্টের বিপক্ষে প্রথম লেগে ১-১ গোলে ড্র করেও আর্সেনাল পরের ম্যাচে ঘরের মাঠে হেরেছিল ৬-১ গোলে।
উয়েফা জানিয়েছে, ক্লাবটি সিইডিবির ১১ ও ১২ নাম্বার আর্টিকেল লঙ্ঘন করে। দুই আর্টিকেলে বলা হয়েছে ‘সাধারণ আদর্শিক আচরণ’এবং ‘ম্যাচ ও প্রতিযোগিতার নৈতিকতা রক্ষা’র কথা।
তাতে আজীবন ফুটবল সংশ্লিষ্ট সকল কর্মকাণ্ড থেকে নিষিদ্ধ হন ফুটবলার নিকোলা সেলেবিক ও কর্মকর্তা র্যাংকো কাগোভিক।
১০ বছরের জন্য নিষিদ্ধ হন আরও তিন ফুটবলার। তারা- সেকো মানোজলোভিক, ডুসান পুলেটিক, রাদুলে জিভোকোভিক।
আলাশকার্টের বিপক্ষে দুই লেগের দেখায় আর্সেনাল কীভাবে ম্যাচ পাতিয়েছে কিংবা অর্থ লেনদেন হয়েছে কিনা, হলেও সেটা কীভাবে হয়েছে তা কিছুই খোলাসা করেনি উয়েফা। তবে ফিফার কাছে উয়েফা ক্লাবটিকে নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ আরও বাড়াতে অনুরোধ করবে।








