পূর্ব নির্ধারিত ৩০ ডিসেম্বরেই অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে পৌর নির্বাচন এবং এবারের নির্বাচনী প্রচারণায় কোনো মন্ত্রী-এমপিদের অংশগ্রহণের সুযোগ থাকছে না। আওয়ামী লীগ, বিএনপি ও জাতীয় পার্টির বিভিন্ন দাবির প্রেক্ষাপটে নির্বাচন কমিশনারদের সঙ্গে বৈঠক শেষে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার।
সোমবার সন্ধ্যা নাগাদ এই বিষয়ে নিশ্চিত ঘোষণা দেওয়া হবে।
পৌরসভা নির্বাচনে এমপিদের প্রচারে যাওয়া না যাওয়া নিয়ে পাল্টা পাল্টি অবস্থান জানাতে নির্বাচন কমিশনে যায় আওয়ামী লীগ এবং বিএনপি। অন্যদিকে নির্বাচন পেছানোর দাবি জানায়, বিএনপি আর জাতীয় পার্টি। সবার দাবি নিয়ে সোমবার সিদ্ধান্ত জানানোর কথা বলেছিলেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার।
তফসিল অনুযায়ী আর ১ মাস পর পৌরসভা নির্বাচন। অথচ আইন এবং বিধি বিধান হয়ে যাওয়ার পরও হঠাৎ করেই প্রধান রাজনৈতিক দলগুলো তাদের নানা দাবি-দাওয়া নিয়ে গতকাল রোববার হাজির হয় নির্বাচন কমিশনে।
প্রথমে আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সম্পাদক মাহাবুবুল আলম হানিফের নেতৃত্বে আওয়ামী লীগের একটি প্রতিনিধি দল বৈঠক করেন প্রধান নির্বাচন কমিশনারের সঙ্গে। তাদের দাবি ছিলো, সরকারি দলের এমপিরা যেতে চান নির্বাচনী প্রচারে।
পরে বিএনপি নেতা ডক্টর ওসমান ফারুক এর নেতৃত্বে সিইসির সঙ্গে বৈঠক করে বিএনপি। নির্বাচনী প্রচারে এমপিরা যাতে না যেতে পারেন সে বিষয়ে নির্বাচন কমিশনকে বিধি পরিবর্তন না করার দাবি ছিলো তাদের। নির্বাচন ১৫ দিন পেছানোসহ দলের মহাসচিবের মুক্তিও চেয়েছিলো বিএনপি।
এর আগে জাতীয় পার্টি বৈঠক করে সিইসির সঙ্গে। তাদের চাওয়া ছিলো, নির্বাচন ১১ দিন পেছানো। সরকারি দলের হস্তক্ষেপ বন্ধের দাবিও তাদের।
এবার প্রথমবারের মতো দলীয় ব্যানারে ২৩৬টি পৌরসভার নির্বাচন। নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন। ভোটগ্রহণের তারিখ ৩০ ডিসেম্বর। মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ দিন ৩ ডিসেম্বর। যাচাই-বাছাই চলবে ৫ ও ৬ ডিসেম্বর। প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিন ১৩ ডিসেম্বর।
সারা দেশে মোট পৌরসভা ৩শ ২৪টি। এর মধ্যে মেয়াদোত্তীর্ণ ২শ ৩৪টি পৌরসভায় নির্বাচন করবে ইসি। আইন সংশোধন করে দলীয় প্রতীকে স্থানীয় এ নির্বাচন একদিনে অনুষ্ঠানের জন্য যাবতীয় প্রস্তুতি শেষ করেছে নির্বাচন কমিশন।







