ক্রিকেটের বাইবেলে একটা কথার প্রচলন রয়েছে ‘‘ক্যাচ মিস তো ম্যাচ মিস’’। মিরপুরের হোম অব ক্রিকেটে এশিয়া কাপের প্রথম ম্যাচে ঠিক সেটাই দেখল ক্রিকেট ভক্তরা।
টসে জিতে বোলিং বেছে নেওয়ায় অনেকটা এগিয়েই গিয়েছিল টাইগাররা। সেই এগিয়ে যাওয়াকে বাস্তবে পরিণত করতে টাইগার দুই পেসার মাশরাফি আর আল আমিন ২২ রানের ভারতীয় দু্ই টপ অর্ডারের ব্যাটসম্যানকে সাজঘরের পথ দেখান।
তবে ওপেনিংয়ে ব্যাট করতে নামা রোহিত শর্মা শুরুতে ছিল এলোমেলো। টাইগার পেস তোপে রীতিমতো হাবুডুবু খাচ্ছিল ভারতীয় ব্যাটসম্যানরা। রোহিত শর্মাও হাত খুলে হাঁকাতে সাহস পাচ্ছিলেন না।
ইনিংসের এগারোতম ওভার করতে আসা তাসকিন আহমেদের প্রথম বলে ব্যাট বলের সংযোগ ঘটাতে পারে নি রোহিত। দ্বিতীয় বলেও কিছু বুঝতে পারল না রোহিত শর্মা। আর তৃতীয় বলে কাট শটটি সোজা চলে যায় পয়েন্টে দাঁড়িয়ে থাকা সাকিবের কাছে।সাকিব বলটি তালুবন্দী করতে পারলেন না, হাত ফসকে বেড়িয়ে গেল ক্যাচটি সঙ্গে ম্যাচটির ভাগ্যও ফসকালো। রোহিতের সংগ্রহ তখন ছিলো ২১ রান।
প্রাণ ফিরে পেয়ে তাসকিনের পরের তিনটি বলে চার , ছয় আর চার। ২২ গজের ক্রিজে ভারতীয়দের একাই প্রতিনিধিত্ব করলেন রোহিত শর্মা। চতুর্থ উইকেট জুটিতে যুবরাজ সিংকে সঙ্গে নিয়ে করলেন ৫৫ রানের জুটি আর পঞ্চম উইকেট জুটিতে হার্দিক পান্ডেকে নিয়ে গড়লেন ৬১ রানের জুটি।
সাতটি চার আর তিনটি ছয়ের পশরা সাজিয়ে করলেন ৫৫ বলে ৮৩ রান। দলের ১৬৬ রানে তার একার অবদানই ৮৩ রান।
যারা খানিকটা ভেবেছিলেন ক্যাচ ফেলে দেওয়াটা সুদে আসলে ব্যাটিংয়ে পুশিয়ে দেবে সাকিব, তাদের সেই আশাও তাসের ঘরের মতো ভেঙ্গে দিলেন সাকিব।
আট বলে তিন রান করে রান আউট হয়ে সাজঘরে ফিরেন সাকিব।
শেষ পর্যন্ত সাকিবের পোড়ানো দগদগে ক্ষতে প্রলেপ আঁকা পরাজয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে টিম টাইগাররা।







