হিসাব মতে শামসুর রহমান শুভর ব্যাট থেকে রান এসেছে ১০১। তারপরও এই ম্যাচে সেঞ্চুরিয়ান নন তিনি। খেলা শেষে স্কোরকার্ডে তার নামের পাশে অপরাজিত ৯৫। হ্যা, সাভারের বিকেএসপিতে তার দল ৮ উইকেটের জয় পেলেও শেষ বেলার নাটকীয়তায় কাটা পড়েছে গাজী গ্রুপ ক্রিকেটার্সের ওপেনার শামসুর রহমান শুভর সেঞ্চুরি।
জয়ের জন্য ব্রাদার্স ইউনিয়নের প্রয়োজন তখন মাত্র ১ রান। স্ট্রাইকে ৯৫ রানে থাকা শামসুর রহমান শুভ। জয়ের সঙ্গে সেঞ্চুরিও চাই তার। আব্দুল হালিমের বলে ঠিকই ছক্কা হাকালেন জাতীয় দলের বাইরে থাকা এই ওপেনার। জয় এবং সেঞ্চুরির উল্লাসও হলো ব্রাদার্সের ডাগআউটে।
কিন্তু হালিমের বোলটি ছিলো নো। যদিও আম্পায়ার হাত উঠিয়ে আগেই নো এর ঘোষণা দিয়েছেন তাতেই বাধে বিপত্তি। ম্যাচের অফিশিয়াল স্কোরার ছক্কার আগে ওই নো বলটি কাউন্ট করায় ম্যাচ শেষ হয়ে গেছে তখনই। সুতরাং শুভর মারা ওই ছক্কা আর কাউন্ট হবে না, এটিই নিয়ম।
আন্তর্জাতিক ক্রিকেট আইনে নো বলের ডাকার তাতে যদি কোন দল জয় পায় সেখানেই শেষ হয়ে যায় ম্যাচ। পরবর্তী সময়ে ওই বলে রান হলেও সেটি যোগ হয়না বোর্ড কিংবা ব্যাক্তিগত স্কোরে। ফলে নো বলে শামসুর রহমানের ছক্কাটি কাটা পড়ে। স্কোর বোর্ডে ১০১ থেকে নামিয়ে করা হয় ৯৫ রান।
আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ২০১০ সালে একবার এমন অভিজ্ঞতার শিকার হয়েছিলেন ভারতীয় ওপেনার বীরেন্দর শেহওয়াগ।
বিকেএসপির তিন নম্বর গ্রাউন্ডে ঢাকা প্রিমিয়ার ডিভিশন ক্রিকেট লিগের ম্যাচে মুখোমুখি হয়েছিলো শামসুর রহমান শুভর দল গাজী গ্রুপ ক্রিকেটার্স ও কলাবাগান ক্রিকেট একাডেমী। ৮ উইকেটের জয়ে পয়েন্ট টেবিলের চতুর্থস্থানে উঠে এসেছে গাজী গ্রুপ ক্রিকেটার্স।








