চতুর্থদিন শেষেই হ্যামিল্টন টেস্টের ভাগ্য অনেকটা লেখা হয়ে গিয়েছিল। পঞ্চমদিনে বাকি কাজটা করে দেয় প্রকৃতি। কেন উইলিয়ামসন ও রস টেলরের সঙ্গে মিলে ম্যাচ ড্র করে দেয় বৃষ্টি। ম্যাচের শেষদিন বৃষ্টির কারণে পুরো খেলা হয়নি। দ্বিতীয় টেস্ট ড্র হলেও সফরকারী ইংল্যান্ডের বিপক্ষে প্রথমটিতে জেতায় ১-০’তে সিরিজ জিতল স্বাগতিকরা।
প্রথম ইনিংসে নিউজিল্যান্ড করেছিল ৩৭৫ রান। জবাবে ইংলিশরা তোলে ৪৭৬ রান। চতুর্থদিন শেষে স্বাগতিকরা ২ উইকেট হারিয়ে তুলেছিল ৯৬ রান। শেষদিন যেটুকু খেলা হয় তাতে কোনো উইকেট না হারিয়ে স্বাগতিকরা করে ২৪১ রান। এরপর বৃষ্টি নামলে খেলা বন্ধ হয়ে যায়।
প্রথম ইনিংসে নিউজিল্যান্ডের ওপেনার টম ল্যাথাম ১০৫ রান করেন। রস টেইলর ৫৩, বিজে ওয়াটলিং ৫৫, ড্যারেল মিচেল ৭৩ রান করেন। ইংলিশ পেসার স্টুয়ার্ট ব্রড চারটি, ক্রিস ওকস তিনটি, স্যাম কারেন দুটি আর জফরা আর্চার একটি করে উইকেট নেন।
প্রথম ইনিংসে ব্যাট হাতে নেমে ২২৬ রানের দারুণ এক ইনিংস খেলেন ইংলিশ অধিনায়ক জো রুট। তার আগে ওপেনার ররি বার্নস করেন ১০১ রান। ওলি পোপ করেন ৭৫ রান।
নিউজিল্যান্ডের নেইল ওয়াগনার ৫টি উইকেট পান। দুটি উইকেট তুলে নেন টিম সাউদি। আর একটি করে উইকেট পান ম্যাট হেনরি এবং মিচেল স্যান্টনার।
পিছিয়ে থেকে দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাটিংয়ে নামে নিউজিল্যান্ড। প্রথম ইনিংসে ৫ রান করা ওপেনার জিত রাভাল দ্বিতীয় ইনিংসে কোনো রান করতে পারেননি। আরেক ওপেনার টম ল্যাথাম ১৮ রানে বিদায় নেন। দলীয় ২৮ রানে দুই ওপেনারকে হারায় স্বাগতিকরা।
এরপর কেন উইলিয়ামসন এবং রস টেলর কিউইদের টানতে থাকেন। এই জুটি ড্র হওয়ার আগে ২১৩ রান যোগ করে অবিচ্ছিন্ন থাকে। টেলর ক্যারিয়ারের ১৯তম টেস্ট সেঞ্চুরি তুলে নেন। উইলিয়ামসন ক্যারিয়ারের ২১তম সেঞ্চুরি তুলে নেন। টেলর ১৮৬ বলে ১১টি চার আর দুটি ছক্কায় করেন অপরাজিত ১০৫ রান। উইলিয়ামসন ২৩৪ বলে ১১ চারে করেন অপরাজিত ১০৪ রান।
স্যাম কারেন ও ক্রিস ওকস একটি করে উইকেট নেন। ম্যাচ সেরা হন জো রুট। আর সিরিজ সেরা নিল ওয়াগনার।
টেস্ট সিরিজ নিউজিল্যান্ড জিতলেও দুদলের মধ্যে হওয়া টি-টুয়েন্টি সিরিজ জিতেছিল ইংল্যান্ড। পাঁচ ম্যাচের টি-টুয়েন্টি সিরিজ ৩-২ ব্যবধানে জেতে ইংলিশরা।








