বিএনপি নেতাকর্মীদের প্রতি অনুরোধ জানিয়ে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন: বেগম খালেদা জিয়ার চিকিৎসাকে কেন্দ্র করে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় অঙ্গন যেন রাজনীতির কেন্দ্র না হয়ে ওঠে। হাসপাতালে থাকা অন্যান্য রোগীদের যেন কোনো অসুবিধা না হয়। অামরা অাগেই বলেছি, এটি একটি বিশেষায়িত হাসপাতাল।
শনিবার রাজধানীর মোহাম্মদপুরে আওয়ামী লীগের গণসংযোগ কর্মসূচির অংশ হিসেবে প্রচারপত্র বিতরণ কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করেন ওবায়দুল কাদের। এসময় তিনি এসব কথা বলেন।
ওবায়দুল কাদের বলেন: অামরা বেগম জিয়ার চিকিৎসার জন্য অাগে বলেছিলাম, কিন্তু অাসেনি। অাদালতের কারণে অবশেষে বেগম জিয়া হাসপাতালে অাসলেন। বিএনপি নেতাদের কাছে প্রশ্ন, এখন তিনি কোন হাসপাতালে? নানান ঘাটের পানি ঘোলা করে শেষ পর্যন্ত রাজি হয়েছে।
‘বিএনপি বেগম জিয়ার চিকিৎসাকে ইস্যু করে রাজনীতি করেছে। এটা করাই তাদের উদ্দেশ্য ছিল। দেরিতে হলেও রাজি হওয়ায় তাকে স্বাগত জানাই।’
আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন: নৌকার পক্ষে গণজোয়ার দেখেছি উত্তরবঙ্গে। লক্ষ লক্ষ মানুষের বাঁধ ভাঙ্গা জোয়ার। চট্রগ্রাম, কুমিল্লা ও ফেনীতে গণজোয়ার। বিএনপির ঘাটি চকরিয়াতেও অাওয়ামী লীগের গণজোয়ার দেখেছি। যেখানে যাচ্ছি, সেখানে হাজার হাজার মানুষের ঢল। সকালে রাজধানীর চকবাজারেও নৌকার নৌকা স্লোগানে মুখরিত। অাজকে মোহাম্মদপুরেও জনতার ঢল। অাপনারা উল্লাসিত, কিন্তু অামি উল্লাসিত নই।
নেতাকর্মীদের হুঁশিয়ার করে তিনি বলেন: ক্ষমতার দাপট দেখাবেন না। মানুষ ক্ষমতার দাপটকে দেখতে চায় না। বারোটার অাগে ভোট শেষ এই ধরনের কথা বলবেন না। ভোট শেষ হওয়ার অাগ পর্যন্ত কেন্দ্রে থাকতে হবে। যতক্ষণ ভোট চলবে, ততক্ষণ কেন্দ্রে অবস্থান করতে হবে। ৯১’র কথা ভুলে যাবেন না।
‘এক মাসের মধ্যে দেশের চেহারা বদলে যাবে’ বিএনপি নেতা মওদুদ আহমেদের এ বক্তব্যের কঠোর সমালোচনা করে ওবায়দুল কাদের বলেন: মওদুদ সাহেব একজন বহুরূপী। কোন ঐশী বাণী থেকে তিনি এটা পেয়েছেন? মওদুদ আহমেদের কি একমাস শেষ হয়নি? আপনার দেখেন এক মাসে দেশের চেহারা নাকি বিএনপি চেহারা পরিবর্তন হয়।
অাওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক জাহাঙ্গীর কবির নানকের সভাপতিত্বে প্রচারপত্র বিতরণ অনুষ্ঠানে আরও বক্তৃতা করেন দলের সাংগঠনিক সম্পাদক খালিদ মাহমুদ চৌধুরী, অাব্দুর রহমান, অসীম কুমার উকিল, সাদেক খানসহ অনেকে।







