দলের পক্ষে টেস্ট সিরিজ জয়ে ভূমিকা রেখেছিলেন মোহাম্মদ হাফিজ। এবার আবুধাবির শেখ জায়েদ স্টেডিয়ামে ওয়ানডে সিরিজের প্রথম ম্যাচেও হাফিজের ঝলক। তার অনবদ্য ১০২ রানের সুবাধে ৩৮ বল বাকি রেখেই ছয় উইকেটে ইংল্যান্ডকে হারিয়েছে পাকিস্তান। এ জয়ে চার ম্যাচ সিরিজে ১-০তে এগিয়ে গেলো পাকিস্তান।
২১৭ রানের টার্গেট তাড়া করতে নেমে মাত্র ১৫ রানের মধ্যে দুই ওপেনার আযহার আলী আর বিলাল হাফিজকে এলবিডব্লিউয়ের ফাঁদে ফেলেন দ্বিতীয় ওয়ানডে খেলতে নামা রেসে টপলে। দলীয় ৪১ রানের মাথায় সদ্য অবসরের ঘোষণা দেওয়া পাক ব্যাটিংয়ের স্তম্ভ ইউনিস খানকেও রশিদের হাতে তালুবন্দী করে সাজঘরে পাঠান টপলে।
এরপর দলকে খাদের কিনারা থেকে তুলে আনেন মোহাম্মদ হাফিজ ও শোয়েব মালিকের ৭০ রানের জুটি। শোয়েব মালিক ব্যক্তিগত ১০ রানের মাথায় পাকিস্তানের নবম ব্যাটসম্যান হিসেবে ক্যারিয়ারে ছয় হাজারের মাইলফলক পার করেন। মালিক আউট হয়ে গেলেও আরেক মিডল অর্ডার ব্যাটসম্যান বাবর আজমকে নিয়ে ১০৬ অপরাজিত জুটি গড়ে ম্যাচ শেষ করেই মাঠ ছাড়েন হাফিজ।
১২৭ বলে দশটি চার ও একটি ছয়ে ১০০ রান পূর্ণ করেন তিনি। অপর দিকে তরুণ মিডল অর্ডার ব্যাটসম্যান বাবর আজম তুলে নিয়েছেন ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় অর্ধশতক। তিনি অপরাজিত থাকেন ৬২ রানে।
এরআগে টসে জিতে ইংল্যান্ড ব্যাট করতে নেমেই পাক বোলারদের বোলিং তোপের মুখে পড়ে। ইনিংসের দ্বিতীয় বলেই জ্যাসন রয়কে সরাসরি বোল্ড করে সাজঘরে পাঠান মোহাম্মদ ইরফান। দলীয় ৭ আর ১৪ রানে জো রুট আর অ্যালেক্স হেলসকে প্যাভিলনের পথ দেখান আনোয়ার আলী।
বিপর্যয়ের মুখে ইংলিশদের উদ্ধার করেন এউইন মরগান ও জেমস টেইলর। তাদের ১৩৩ রানের জুটির উপর ভর করে ২১৬ রান করে ইংলিশরা।মরগান ৭৬ ও টেইলর ৬০ রান করেন।
পাক বোলারদের মধ্যে মোহাম্মদ ইরফান তিনটি, আনোয়ার আলী ও শোয়েব মালিক দুটি করে উইকেট নেন। ম্যাচসেরা হন শতরান করা মোহাম্মদ হাফিজ। সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে শুক্রবার।






